Showing posts with label ভোজ. Show all posts
Showing posts with label ভোজ. Show all posts

Thursday, December 5, 2019

যেভাবে তৈরি করবেন চিকেন সাসলিক

যেভাবে তৈরি করবেন চিকেন সাসলিক


উপকরণ


  • মুরগির বুকের মাংস একটু ভারী কিউব করে কাটা- ১/২ কেজি
  • মরিচের গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ,
  • গোল মরিচের গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ,
  • চিলি সস- ১ চা চামচ,
  • টমেটো সস- ১ টে চামচ,
  • লেবুর রস- ২ টে চামচ,
  • রসুন বাটা- ১/২ চা চামচ,
  • লবণ- পরিমান মতো,
  • পুদিনা পাতা বাটা- ১ চা চামচ,
  • পেঁয়াজ, টমেটো, শশা ও গাজর (কিউব করে কাটা)- পরিমাণমতো, 
  • সয়াবিন তেল- ২ টে চামচ।

প্রণালি

সাসলিক স্টিকগুলো ৩০ মিনিট ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। গাজর কিউব গুলো হাফ বয়েল করে পানি ঝরিয়ে ঠান্ডা করে নিন। চিকেন কিউব ধুয়ে পানি ঝরিয়ে কিচেন টাওয়েল দিয়ে মুছে নিন। এবার তেল ছাড়া সব উপাদান একত্রে মিশিয়ে ২ ঘন্টা মেরিনেট করুন। এরপর শাশলিক স্টিকে একে একে গাজর, টমেটো, পিঁয়াজ, শশা কিউব ও এক পিস চিকেন কিউব এভাবে স্টিকের শেষ মাথা পর্যন্ত গেঁথে নিন।
এবার সবগুলো সাসলিকে তেল ব্রাশ করে ওভেনে ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ৩০ মিনিট বেক করুণ অথবা, ননস্টিক প্যানে সেঁকে নিন। উভয় পাশ ১৫ মিনিট মাঝারি আঁচে সেঁকুন। মাঝে মাঝে তেল ব্রাশ করে দিন এবং একটু পোড়া পোড়া হলে নামিয়ে নিন। সালাদ ও নান রুটি/পরোটা বা পোলাও এর সাথে গরম গরম পরিবেশন করুন।

Sunday, December 1, 2019

পেঁয়াজের  কেজি মাত্র ২৫ রুপি

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ২৫ রুপি


এবার ভারতেও পেঁয়াজের দাম সেঞ্চুরি হাকিয়েছে । ইতিমধ্যে যা চলে গেছে সাধারন মানুষের নাগালের বাহিরে । তাই পেঁয়াজের দাম মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে এবং ভুগান্তি কমাতে ভারতের বিহার রাজ্যের সরকারের পক্ষ থেকে খুচরা বাজারে দোকান খোলা হয়েছে ।
এসকল দোকানে সরকারী কর্মচারীরা ৩৫ রুপী কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ।
তবে মজার বিষয় হলো যে, যদি কারো বাড়িতে বিয়ের উৎসব হয়ে থাকে আর যদি বিয়ের কার্ড সরকারী কর্মচারীদের দেখাতে পারে তবে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম রাখা হচ্ছে ২৫ টাকা । যার ফলে খুশি ভুক্তারাও ।
সাম্প্রতিক সময়ে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় এধরনের দোকান থেকে অনেক মানুষ পেঁয়াজ কিনছেন ।

Tuesday, November 26, 2019

ট্রপিক্যাল চিকেন সালাদ রেসিপি

ট্রপিক্যাল চিকেন সালাদ রেসিপি


ট্রপিক্যাল চিকেন সালাদ

উপকরণ:

মুরগির মাংস পরিমাণমতো, আদা পেস্ট ৪ টেবিল চামচ, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, অলিভ অয়েল ২ টেবিল চামচ, নারকেল কোরা ১ টেবিল চামচ, জিরা গুঁড়ো ৩ টেবিল চামচ, লবঙ্গ ৩টি, আম কিউব করে কাটা ১টি, মধু পরিমাণমতো।

প্রণালী:

একটি ননস্টিক ফ্রাইপ্যানে নারকেল কোরা ২ থেকে ৩ মিনিট বাদামি করে ভেজে আলাদা করে নারকেল কোরা, লেবুর রস সব মসলা একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এতে ছোট ছোট টুকরো মুরগির মাংস দিয়ে আবার নাড়ুন। এবার প্যানে তেল গরম করে মুরগিসহ মসলা দিয়ে ঢেকে দিন। মাংস সেদ্ধ হলে মধু দিয়ে নেড়ে আবার ঢেকে দিন। এবার এতে লেবুর রস যোগ করুন। মাংস সেদ্ধ হয়ে পানি শুকালে সার্ভিং পাত্রে ঢেলে কেটে রাখা আম টুকরো দিয়ে পরিবেশন করুন।

Friday, October 18, 2019

কখনো সবজি পরোটা খেয়েছেন?

কখনো সবজি পরোটা খেয়েছেন?


প্রয়োজনীয় উপকরণ:-
ময়দা- দেড় কাপ
লবণ- স্বাদ মতো
সয়াবিন তেল- ২ চা চামচ
সবজি- পছন্দমতো
তেল- প্রয়োজন মতো
পেঁয়াজ কুচি- আধা কাপ
আদা-রসুন বাটা- ১ চা চামচ  
কাঁচামরিচ- কয়েকটি
গোলমরিচের গুঁড়া- ১/৪ চা চামচ
জিরার গুঁড়া- আধা চা চামচ
চাট মসলা- আধা চা চামচ
ধনেপাতা কুচি- ২ টেবিল চামচ

প্রস্তুত প্রণালি:-

একটি পাত্রে ময়দা, লবণ ও তেল মিশিয়ে নিন। এবার অল্প অল্প করে কুসুম গরম পানি মিশিয়ে তৈরি করুন ডো। ভালো করে মথে নরম করুন ডো। হাতে সামান্য তেল নিয়ে ডোয়ের উপর লাগিয়ে রেখে দিন আধা ঘণ্টা।

সবজি ধুয়ে পানি ঝরিয়ে কুচি করে কেটে নিন। চুলায় হাই হিটে প্যান দিয়ে দেড় টেবিল চামচ তেল গরম করুন। তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে কয়েক মিনিট ভেজে নিন। এরপর আদা-রসুন বাটা ও কাঁচামরিচ কুচি দিয়ে সব একসাথে ভেজে কেটে রাখা সবজি দিয়ে দিন। লবণ, জিরার গুঁড়া, গোলমরিচের গুঁড়াসহ সব মসলা ও ধনেপাতা কুচি দিয়ে নেড়ে নিন। ভালো করে নেড়েচেড়ে ভাজা সবজি নামিয়ে নিন।

ডো পাঁচ ভাগে ভাগ করে নিন। সবজি ভাজাও একইভাবে অল্প অল্প করে পাঁচ ভাগে ভাগ করে নিন। ময়দার ডো হাতে নিয়ে মাঝের অংশ ছড়িয়ে চ্যাপ্টা করুন। সবজিও মাঝখানে বসিয়ে চারদিক থেকে মুড়িয়ে নিন। ময়দায় ডুবিয়ে বেলে নিন পরোটা। স্যাঁকা তেলে ভেজে পরিবেশন করুন গরম গরম সবজি পরোটা।

Saturday, August 3, 2019

মাত্র ২৫ লক্ষ টাকার 'বিগ বস'

মাত্র ২৫ লক্ষ টাকার 'বিগ বস'

২৫ লক্ষ টাকার গরু 'বিগ বস'
কোরবানির ঈদের জন্য পালন করা সিলেট বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বড় গরু হচ্ছে বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা ইউনিয়নের তরুণ সাহেদ আহমদের ৩৮ মণ ওজনের ষাঁড় 'বিগবস'। সম্পুর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে 'বিগবস' লালন-পালন হয়েছে। 
প্রতিদিন ১৫ কেজি দানাদার, ১২ কেজি আঁশ এবং দেড়মণ ঘাস দিতে হয়। এ ছাড়া খাবারের তালিকায় রয়েছে সপ্তাহে ১০ কেজি গাজর। সাহেদের ডেইরি ফার্মে বেড়ে ওঠা ফ্রিজিয়ান প্রজাতির ষাড় 'বিগবস' চার বছরে ১১ ফুট দৈর্ঘ, ৮ ফুট ব্যাস এবং ৬ ফুট উচ্চতার বিশালকায় পশুতে পরিণত হয়েছে। ৩৮ মণের বেশি ওজন ও আকৃতির দিক থেকে দেশে লালন-পালন করা সিলেট বিভাগের মধ্যে 'বিগবস' সবচেয়ে বড় গরু বলে দাবি করছেন খামারী সাহেদ ।
প্রাকৃতিক খাবার দিয়েই গাভি ও ষাঁড় পালন করছেন খামারি সাহেদ। গরুকে মোটাতাজা করতে তিনি কোনো ধরনের রাষায়নিক বা স্টেরয়েড জাতীয় মেডিসিন ব্যবহার করছেন না বলে তিনি জানিয়েছেন ।
২০১৫ সালে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা ইউনিয়নের পশ্চিমপাড় এলাকার নিজবাড়িতে ৭টি ফ্রিজিয়ান প্রজাতির গাভি দিয়ে শুরু করেন 'সাহেদ ডেইরি ফার্ম'। বর্তমানে তাঁর ফার্মে ১০টি গাভি, ১০টি বাছুর ও 'বিগবস'সহ ৫টি ষাঁড় রয়েছে। আর্থিকভাবে স্বচ্ছল পরিবারের সন্তান সাহেদ যখন দিনের বেশির ভাগ সময় কাটান ডেইরি ফার্মে। মাত্র চার বছরের মধ্যে সাহেদ হয়ে উঠেছে অন্য তরুণদের অনুপ্রেরণা।

Sunday, May 19, 2019

ডায়াবেটিকস থেকে বাঁচতে খেতে পারেন কালোজাম

ডায়াবেটিকস থেকে বাঁচতে খেতে পারেন কালোজাম

ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকলে বাড়তে থাকে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি৷ সেই সঙ্গেই বাড়তে থাকে কিডনির সমস্যার সম্ভাবনাও৷ সুস্থ থাকতে তাই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি৷
ডায়াবেটিস মোকাবিলায় অব্যর্থ কালোজাম৷ তাই প্রতিদিন কালোজাম খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা৷
কালো জামে সুক্রোজ একেবারেই থাকে না৷ ফলে কালো জাম রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে৷ তবে কালোজামের শাঁসের থেকে অনেক বেশি উপকারি কালোজামের বীচি৷
কালোজামের বীজে থাকে জাম্বোলিন৷ যা স্টার্চ সুগারে পরিণত করতে সাহায্য করে৷ ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে কালোজাম৷
রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়াতে তাই ডায়াবেটিকদের প্রতিদিন কালোজাম খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা৷ শুধু তাই নয়৷ ছোটবেলা থেকেই যদি নিয়মিত কালোজাম খাওয়া হয় তাহলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে৷

Saturday, May 18, 2019

১১টি রোগের মেডিসিন হিসেবে কাজ করে ডাবের পানি

১১টি রোগের মেডিসিন হিসেবে কাজ করে ডাবের পানি

আমরা সবাই জানি, ডাবের পানি শরীরের পক্ষে কতটুকু উপকারী । চলুন আজ জেনে নি, ডাবের পানি আমাদের কোন কোন রোগ থেকে দূরে রাখে -
১.ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটবে: ডাবের পানি হলো প্রকৃতিক টোনার, যা ত্বককে সংক্রমণ থেকে বাঁচানোর পাশাপাশি সার্বিকবাবে স্কিনের ঔজ্জ্বলতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে ব্রণর প্রকোপ কমাতেও এই প্রাকৃতিক উপাদানটি সাহায্য করে থাকে।
২.ওজন কমবে: ডাবের পানি উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি এনজাইম হজম ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি মেটাবলিজমের উন্নতিতেও সাহায্য করে থাকে। ফলে খাবার খাওয়া মাত্র তা এত ভালো ভাবে হজম হয়ে যায় যে শরীরের অন্দরে হজম না হওয়া খাবার মেদ হিসেবে জমার সুযোগই পায় না। ফলে ওজন কমতে শুরু করে। ডাবের পানি শরীরে লবনের মাত্রা ঠিক রাখে। ফলে ওয়াটার রিটেনশন বেড়ে গিয়ে ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কাও হ্রাস পায়।
৩. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকবে: ডাবের পানি উপস্থিত ভিটামিন সি, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে থাকে। সম্প্রতি ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান মেডিকেল জানার্লে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুসারে পটাশিয়াম শরীরে লবনের ভারসাম্য ঠিক রাখার মধ্যে দিয়ে ব্লাড প্রেসারকে স্বাভাবিক রাখে। তাই যাদের পরিবারে এই মারণ রোগটির ইতিহাস রয়েছে, তাদের নিয়মিত ডাবের পানি খাওয়া উচিত। একই নিয়ম যদি রক্তচাপে ভোগা রোগীরাও মেনে চলেন, তাহলেও দারুণ উপকার মেলে।
৪.ব্লাড সুগারকে বেঁধে রাখবে: ২০১২ সালে হওয়া জার্নাল ফুড অ্যান্ড ফাংশন স্টাডিসে দেখা গিয়েছিল ডাবের পানিতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড এবং ডায়াটারি ফাইবার ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
৫.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হবে: রাইবোফ্লবিন, নিয়াসিন, থিয়ামিন এবং পাইরিডোক্সিনের মতো উপকারি উপদানে ভরপুর ডাবের পানি প্রতিদিন পান করলে শরীরের অন্দরের শক্তি এতটা বৃদ্ধি পায় যে জীবাণুরা কোনওভাবেই ক্ষতি করার সুযোগ পায় না। সেই সঙ্গে ডাবের পানিতে উপস্থিত অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ব্য়াকটেরিয়াল প্রপাটিজ নানাবিধ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৬.শরীরে পানির ঘাটতি দূর হবে: ডাবের পানি শরীরের অন্দরে প্রবেশ করা মাত্র পানির ঘাটতি মিটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে এতে উপস্থিত ইলেকট্রোলাইট কম্পোজিশান ডায়ারিয়া, বমি এবং অতিরিক্ত ঘামের পর শরীরে ভিতরে খনিজের ঘাটতি মেটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই কারণেই তো গরমকালে ডাবকে রোজের সঙ্গী করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।
৭.হার্টের টনিক: শরীরে বাজে কোলেস্টেরল বা এল ডি এল-এর পরিমাণ কমিয়ে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে ডাবের পানির কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। শুধু তাই নয়, দেহে ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়িয়ে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমাতেও ডাবের পানি বিশেষ ভূমিকা নিয়ে থাকে।
৮.মাথা যন্ত্রণা দূরে থাকবে: ডিহাইড্রেশনের কারণে মাথা যন্ত্রণা বা মাইগ্রেনর অ্যাটাক হওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে দ্রুত এক গ্লাস ডাবের পানি খেয়ে নেবেন। এমনটা করলে দেখবেন নিমেষে কষ্ট কমে যাবে। আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটিতে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম, এই ধরনের শারীরিক সমস্যার চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৯.শরীরের বয়স কমবে: খাতায় কলমে বয়স বাড়লেও শরীরের বয়স কি ধরে রাখতে চান? তাহলে আজ থেকেই ডাবের পানি খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন। আসলে ডাবের পানি রয়েছে সাইটোকিনিস নামে নামে একটি অ্যান্টি-এজিং উপাদান, যা শরীরের উপর বয়সের ছাপ পরতে দেয় না। সেই সঙ্গে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
১০.কিডনি ফাংশনের উন্নতি ঘটবে: প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে ডাবের পানি কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে শরীরে উপস্থিত টক্সিন উপাদানদের ইউরিনের সঙ্গে বের করে দিয়ে নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমায়।
১১.স্ট্রেস কমবে: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে ডাবের পানি উপস্থিত ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম শরীরের অন্দের প্রবেশ করার পর একদিকে যেমন স্ট্রেস কমায়, তেমনি পেশীর সচলতা বৃদ্ধিতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, ডাবের পানিতে থাকা ক্যালসিয়াম দাঁত এবং হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতিতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।