Showing posts with label অদ্ভুত. Show all posts
Showing posts with label অদ্ভুত. Show all posts

Monday, March 30, 2020

কমোড চেটে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত টিকটক স্টার

কমোড চেটে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত টিকটক স্টার


মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার জন্য কত কিছুই না করেন। কেউ কেউ অনেক সময় খ্যাতির লোভে জীবনের ঝুঁকিও নিয়ে ফেলেন। ক্যালিফোর্নিয়ার টিকটকার লার্জও তার ব্যতিক্রম নন। তিনিও নানা কাণ্ডকারখানা করে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন যথেষ্ট। তবে এবার শুধু জনপ্রিয়তা নয় টিকটক ভিডিও তৈরি করতে গিয়ে অজান্তে শরীরে বাসা বাঁধার সুযোগ করে দিলেন করোনাভাইরাসকে।

মডেল ও টিকটকার আভা লাউজিকে কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস) এর ভয় কাবু করতে পারেননি। সম্প্রতি তিনি টিকটকে ‘করোনা চ্যালেঞ্জ’ নেন। জিভ দিয়ে কমোড চেটে এই চ্যালেঞ্জের সূত্রপাত করেন তিনি। আভার মতোই চ্যালেঞ্জ নেন বছর একুশের টিকটক স্টার লার্জ। তিনিও চাটেন কমোড। ওই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। এরপর ধীরে ধীরে বাসের হাতল, নার্সিংহোমের বিছানা চাটার চ্যালেঞ্জ নেন। সেই ভিডিও দেখেও লাইক, কমেন্টের বন্যা বইতে থাকে।

কিন্তু সম্প্রতি জ্বর, সর্দি, কাশিতে ভুগতে থাকেন লার্জ। ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। তাঁর শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হলে দেখা যায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত লার্জ। আপাতত হাসপাতালে রয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার ঐ টিকটকার।
Keywords- Tiktok, Tiktokers

Sunday, March 22, 2020

গুয়াতিমালার অদ্ভুত সিঙ্কহোল

গুয়াতিমালার অদ্ভুত সিঙ্কহোল


সিঙ্কহোল আমাদের পৃথিবীর জন্য একটা স্বাভাবিক ব্যাপার। কিছু কিছু সিঙ্কহোল তো মানুষ তৈরি করেছে। প্রাকৃতিক সিঙ্কহোল স্বাভাবিকেভাবে ৩ ফুট চওড়া আর ১৮ ফুট গভীর হয়ে থাকে।  এখন আমরা জানবো গুয়াতেমালার এক ভয়ংকর ঘটনা সম্পর্কে।
২০১০ সালের ঘটনা, যখন গুয়াতেমালা শহরে হঠাত ৩০০ ফুট গভীর, ৬৫ ফুট চওড়া সিঙ্কহোল তৈরি হয়েছিল। যদিও গুয়াতেমালায় সিঙ্কহোলের ঘটনা একটা স্বাবাভিক ব্যাপার।

কিন্তু এই সিঙ্কহোল স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চওড়া ছিলো। আর এটি ৩ তলা বিশিষ্ট এক বিল্ডিংকেও গ্রাস করেছিল। ঘটনার সময় বিল্ডিং এ শুধু একজন ওয়াচ ম্যান ছিল। আর সে এ ঘটনার সময় মাটির ধ্বসে মারা গিয়েছিল। এ ঘটনা কেন আর কিভাবে হল, তার সন্তুষ্টিজনক জবাব এখন পর্যন্ত বিজ্ঞান দিতে পারেনি। সিঙ্কহোল হওয়ার কিছুদিন পর সেখানকার সরকার সিমেন্ট, মাটি, লাইম স্টোম দিয়ে সে গর্তকে ভরাট করে দিয়েছিল। যাতে ভবিষতে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

Thursday, February 27, 2020

‘রেগে আগুন’ নবজাতক!

‘রেগে আগুন’ নবজাতক!


একটি বাচ্চা জন্মানোর পরেই চিকিৎসকেরা চেষ্টা করেন কাঁদাতে। নবজাতকের ফুসফুস সঠিকভাবে কাজ করছে কি-না তা জনতেই এই চেষ্টা করা হয়ে থাকে। কিন্তু এক নবজাতককে কাঁদানো চেষ্টা করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন চিকিৎসকেরা! রেগে আগুন ওই নবজাতক।

জানা যায়, ১৩ ফেব্রুয়ারি ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোর একটি হাসপাতালে জন্ম হয় এক শিশু কন্যার। জন্মের পর থেকেই তাকে কাঁদাতে পারেননি চিকিৎসকেরা। তার অ্যাম্বিক্যাল কর্ড কাটার আগে থেকেই চিকিৎসকেরা তাকে কাঁদানোর চেষ্টা করেন। উল্টে চিকিৎসকদের দিকে রাগী মুখে তাকিয়ে থাকে নবজাতক। নবজাতকের এই ছবিই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। 
অভিভাবকরা নবজাতক সেই শিশু কন্যার নাম ইসাবেলা পেরেরা ডি জিসাস। রিও ডি জেনিরোর সংলগ্ন সেই হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এর আগে কোনো নবজাতকের এমন অভিব্যক্তি তারা দেখার সুযোগ দেখেনি। তাই এই বিরল দৃশ্য ঘটনাস্থলেই ক্যামেরাবন্দি করেন নবজাতকের বাবা। 

নবজাতকের বাবা পেশায় ফটোগ্রাফার, নাম রড্রিগো কুনস্টম্যান। তাকে কাঁদানোর চেষ্টায় ইসাবেলার এই অভিব্যক্তিতে হতবাক সকল চিকিৎসক। জানা গেছে, অ্যাম্বিক্যাল কর্ড কাটার পরে কাঁদতে শুরু করেছিল এই 'রাগী' শিশু কন্যা।
ইসাবেলার বাবা জানিয়েছেন, এই মুহূর্তটা কখনোই ভুলার নয়। একদিকে খুব দুঃশ্চিন্তা তার মধ্যে জন্মানোর ঠিক পরেই মেয়ের এমন অভিব্যক্তি যদি ক্যামেরাবন্দি না করতাম তবে কিছুতেই আমার স্ত্রীকে এই দৃশ্য দেখাতে পারতাম না। চিকিৎসকেরা রীতিমতো নাজেহাল হয়ে গিয়েছিলেন ওকে কাঁদানোর চেষ্টায়। তারপর এমন এক্সপ্রেশনে চিকিৎসকেরা হেসেই ফেলেছেন।
-সংগৃহিত

Wednesday, January 8, 2020

রেললাইনে হেডফোন লাগিয়ে বসেই দুই কিশোর খেললো জীবনের শেষ পাবজি ম্যাচ

রেললাইনে হেডফোন লাগিয়ে বসেই দুই কিশোর খেললো জীবনের শেষ পাবজি ম্যাচ


ভারতের পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর থানার দিঘা-তমলুক রেললাইনের ওপর বসে কানে হেডফোন লাগিয়ে পাবজি খেলছিল দুই কিশোর। খেলায় মগ্ন থাকায় ট্রেন আসার শব্দ শুনতে পায়নি তারা। এমনকি ট্রেন চালক তাদের সতর্ক করার চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি। বুধবার দিবাগত রাতে সন্ধ্যায় বিরামপুরের কাছে রেলে কাটা পড়ে মৃত্যু হয় তাদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত দুই কিশোরের নাম অপূর্ব দাস ও সুব্রত পাত্র। তারা বিরামপুর ও ফতেপুরের বাসিন্দা। সন্ধ্যার দিকে তারা দিঘা-তমলুক রেললাইনের ওপর বসেছিল। তখন দিঘা থেকে হাওড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় দিঘা-হাওড়া কান্ডারি এক্সপ্রেস। আচমকা রেললাইনের ওপর দুই কিশোরকে বসে থাকতে দেখেন চালক। তাদের সতর্ক করতে ট্রেন চালক অনেক দূর থেকে বাঁশি বাজাতে শুরু করেন। কিন্তু দুই কিশোর খেলায় এতটাই মগ্ন ছিল যে বাঁশির শব্দ কান পর্যন্ত এসে পৌঁছায়নি।
কানে হেডফোন থাকায় তারা শুনতে পায়নি বলেই প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলেই ট্রেনে কাটা পড়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় দুই কিশোরের দেহ।
২৫ বছর মেয়েকে এক রুমে তালাবদ্ধ করে রাখলেন মা

২৫ বছর মেয়েকে এক রুমে তালাবদ্ধ করে রাখলেন মা


১৮৪৯ সালের ১লা মার্চ। ফরাসী এক ধনী ও সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেয় ফুটফুটে এক মেয়ে। মনিয়ের পরিবার তাদের পদবী অনুসারে মেয়ের নাম রাখে ব্ল্যাঞ্চ মনিয়ের। ম্যাডাম মনিয়েরের দানশীলতার জন্য এলাকায় বেশ নাম-ডাক ছিল মনিয়ের পরিবারের। এমনকি তার উদারতার জন্য সে একটি কম্যিউনিটি এওয়ার্ড পর্যন্ত পেয়েছিল স্বীকৃতিস্বরুপ। মেয়ে ব্ল্যাঞ্চ মনিয়ের ছাড়াও এক ছেলে ছিল তার। নাম- মারসেল মনিয়ের, পেশায় একজন স্বনামধন্য উকিল। এক ছেলে-এক মেয়ে নিয়ে সুখের পরিবার মনিয়েরদের।
.
ছোটবেলায় যত না সুন্দর ছিল ব্ল্যাঞ্চ, বড় হবার সাথে রুপ যেন সমানুপাতিক হারে বাড়তে থাকে তার। মেয়ের রুপ নিয়ে অহংকারের শেষ নেই মায়ের। মেয়ে তখন পূর্ন যুবতী। ২৫ বছর বয়স। মা তার পছন্দ করা অভিজাত পরিবারের এক পাত্রের সাথে বিয়ে ঠিক করলো ব্ল্যাঞ্চের। কিন্তু ততদিনে ব্ল্যাঞ্চ মন দিয়ে বসে আছে অন্য একজনকে। পেশায় সে সাধারণ একজন উকিল। পরিবারও সাদামাটা একদম।
ব্ল্যাঞ্চ তার পছন্দের মানুষটিকে মায়ের সামনে নিয়ে আসে। কিন্তু পারিবারিকভাবে অভিজাত ও স্বনামধন্য না হওয়ায় তার সাথে বিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানায় মা। তার পছন্দ করা পাত্রকেই বিয়ে করতে হবে ব্ল্যাঞ্চকে- এ কথা জানিয়ে দেয় সে। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত মানতে রাজি না হলে ব্ল্যাঞ্চকে একটি ছোট রুমে আটকে রাখে তার মা। কড়াভাবে তাকে জানিয়ে দেওয়া হয়- সেদিনই এ ঘর থেকে মুক্তি পাবে ব্ল্যাঞ্চ, যেদিন তার মায়ের সিদ্ধান্ত মেনে নিবে সে। কিন্তু মায়ের মতো মেয়েও তার সিদ্ধান্তে অটল। বিয়ে যদি করতেই হয়, ভালোবাসার মানুষটিকেই করবে সে, অন্য কাউকে নয়!
.
বছরের পর বছর চলে যায়, ব্ল্যাঞ্চ তার সিদ্ধান্তে থাকে অনড়। মায়ের অহংকারী-জেদী মনও গলে না। ফলে মুক্তিও আর মেলে না। ১৮৮৫ সালে, ব্ল্যাঞ্চের ভালোবাসার মানুষটি মারা যাবার পরও তাকে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়! এদিকে ব্ল্যাঞ্চের মা আর ভাই সমাজে এমন ভান করে থাকে যে ব্ল্যাঞ্চকে হারিয়ে তারা শোকে কাতর! বাড়ির কাজের লোকেরা এই ব্যাপারে জানলেও কাউকে জানাতে ভয় পেত মনিয়েরদের সামাজিক প্রভাবের কারণে। এইভাবে কেটে যায় পঁচিশটি বছর!
অতঃপর, ২৫ বছর পর, ১৯০১ সালে, প্যারিসের এটর্নি জেনারেলের কাছে বেনামে একটি চিঠি পৌছে। কে বা কারা চিঠিটি পাঠিয়েছে, কখনোই তা জানা যায়নি। সেখানে লেখা থাকে- মনিয়ের পরিবার বহু বছর ধরে তাদের বাড়িতে আটকে রেখেছে এক ব্যক্তিকে। মনিয়ের পরিবারের সামাজিক অবস্থানের কথা চিন্তা করে প্রথমে না চাইলেও পরে তদন্ত চালাতে নির্দেশ দেন জেনারেল।
বাড়িতে তল্লাসি চালিয়ে কিছুই খুঁজে না পেয়ে যখন ফিরে যাবে সৈন্যরা, তখনই একজন সেনার নাকে আসে বোটকা এক পঁচা গন্ধ। সেই গন্ধ অনুসরণ করে চিলেকোঠায় পৌছালে সেখানে একটি অন্ধকার তালাবদ্ধ রুম দেখতে পায় তারা। রুমটিতে কেবলমাত্র একটি বন্ধ ছোট জানালা ছিল, তাও মোটা পর্দা দেওয়া। কিছুই দেখা যাচ্ছিলো না বাইরে থেকে। সন্দেহ হওয়ায় জানালার কাচ ভেঙে ফেলে এক সেনা। ভাঙা কাচের ভেতর দিয়ে তারা দেখতে পায় রুমের এক কোনায় শেকলাবদ্ধ এক নারী! তাকে দেখে সেনারা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে দেখতে পায় বিভৎস এক দৃশ্য।
ছোট একটি বিছানায় পঁচা খাবার আর কোটি কোটি কীটের মধ্যে শুয়ে আছে মনিয়ের ব্ল্যাঞ্চ। এই ২৫ বছরে বাইরের আলো-বাতাস থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন ছিল সে। চেহারাও বিদঘুটে হয়ে গেছে। তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। সে সময় তার ওজন ছিল মাত্র ২২ কেজি! কিন্তু বিগত ২৫বছরের ভয়াবহ স্মৃতি মাথা থেকে কিছুতেই মুছে ফেলতে পারেনি মনিয়ের ব্ল্যাঞ্চ। ফলে, গুরুতর মানসিক সমস্যা দেখা দেয় তার। তাকে ভর্তি করা হয় ফ্রান্সের এক সাইকিয়াট্রিক হাসপাতালে। ১৯১৩ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত, জীবনের বাকিটা সময় এখানেই কাটায় সে। ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করতে চাওয়ার ‘অপরাধে’ এই শাস্তি পেতে হলো তাকে।
.
আর ব্ল্যাঞ্চের মা আর তার ভাই-এর পরিণাম? ব্ল্যাঞ্চকে উদ্ধারের পর এরেস্ট করা হয় তার মা ও ভাইকে। মা অসুস্থ হয়ে গেলে জামিন পেয়ে বাসায় যায়। কিন্তু ততদিনে সবাই কাহিনী জেনে গেছে। ব্ল্যাঞ্চ উদ্ধার হওয়ার ১৫দিনের মাথায় বিক্ষুব্ধ জনতা ভিড় করে তাদের বাসার সামনে। আতঙ্কিত হয়ে হার্ট এটাক করে সেদিনই মারা যায় মিসেস মনিয়ের। অতিরিক্ত অহংকার আর ইগো এভাবেই শেষ করে দেয় একটি সাজানো গোছানো সংসারকে।

Monday, December 30, 2019

এক গাছে ২০ মাথার ফুলকপি!

এক গাছে ২০ মাথার ফুলকপি!


স্বাভাবিক নিয়মে একটি ফুল কপির গাছে একটি ফুলকপি ধরে থাকে । কিন্তু এবার ব্যতিক্রম ঘটেছে খাগড়াছড়ির সীমান্তঘেঁষা পানছড়ি উপজেলায়। একটি বা দুটি নয়, ছোট-বড় মিলিয়ে এক গাছে বিশটি ফুলকপি ধরেছে। বিশ মাথার এই একটি ফুলকপি দেখতে সেখানে ভিড় জমিয়েছে উৎসোক জনতা ।
পানছড়ির তালুকদারপাড়ার কবির আহাম্মদ এলাকার কৃষক মো. আমিনুল হকের জমিতে বিরল এ ফুলকপিটি দেখতে পাওয়া গেছে।

শুধু বিশটি ফুলকপিই নয়, তার জমিতে ছয়টি ফুলকপি ধরেছে অপর একটি গাছে, যা ইতিমধ্যে তারা নিজেদের খাওয়ার জন্য উত্তোলন করেছেন বলেও জানিয়েছেন কৃষক আমিনুল হক।

জানা যায়, ফুলকপি শীতের অন্যতম প্রধান জনপ্রিয় সবজি। তরকারি বা কারি ও স্যুপ তরিকারিতে ফুলকপি উপদেয়। সালফার, পটাশিয়াম ও ফসফরাস খনিজ উপাদান সমৃদ্ধ ফুলকপি খুব লাভজনক। তাই ফুলকপি চাষে কৃষকের আগ্রহের কোনো কমতি নেই।
কৃষক আমিনুল হক জানান, দীর্ঘ বছর ধরে ফুলকপি চাষ করলেও এমন ঘটনা এবারই প্রথম। এর আগে এমন বিরল ফুলকপি কখনও দেখেননি বলেও জানান তিনি।

Tuesday, December 24, 2019

আফসোস অনেক বেশি হয় আমার ছাত্রের জন্য

আফসোস অনেক বেশি হয় আমার ছাত্রের জন্য


আমার ছাত্রটা রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে পড়ে। সন্ধ্যায় পড়াইতে যাই। তার আগে দুইজন টিচার তাকে পড়িয়ে আসে। অনেক হাই ক্লাস ফ্যামিলি।বাসায় ঢুকার আগে কলিংবেল দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়৷ বাহিরে এখন কনকনে শীত। চাবি দেয় দ্বিতীয় তলা হতে। বাসায় ঢুকি।ছাত্র বলে একটু রেস্ট নি। রেস্ট নেওয়ার পর পড়া শুরু হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা বকে যাই। তার ফাঁকে নাস্তা।গণিত আর সাধারণ গণিত পড়াই। পড়িয়ে আবার পড়া দিয়ে আসি। রাত জেগে তিনজন স্যারের কাজ করে। অনেক সময় নাকি দুটা বেজে যায়৷ সকালে উঠে আবার স্কুলে যায়। রিক্সা একটা ফিক্সড করা থাকে। স্কুল হতে ফিরে প্রায় তিনটায়। এসে একটু রেস্ট নিয়ে দুপুরের খাবার খায়। তারপর ঘুমায়৷ঘুম হতে উঠে দেখে স্যার বসে আছে। হাতমুখ ধুয়ে আবার পড়তে বসে। এই আমার ছাত্রের জীবন। মাঝেমধ্যে বাহিরে যাওয়ার সুযোগ হয়ে উঠে পরিবারের সাথে। শপিং করে আসে। সাথে বাহিরের সেরা রেস্টুরেন্টে খেয়ে। দুইদিন আগে ব্লুটুথ ইয়ারফোন কিনেছে। ইয়ারফোনটা পেয়ে সে যে কি খুশি!
আমাকে ফাংশন দেখায়। স্যার,এটা দিয়ে এটা করে!
আফসোস!
আফসোস অনেক বেশী হয় আমার ছাত্রের জন্য....সোনালী কৈশোর জীবন সে কিভাবে কাটিয়ে দিচ্ছে। সবকিছু নিয়মতান্ত্রিক। কোনো স্বাধীনতা নেই। একটু খোলা হাওয়ার গায়ে লাগানোর সুযোগ নেই। চার শিকলে বন্দী বাঘের মত জীবন। সবকিছু আছে.... নেই কৈশোরের আমোদপ্রমোদ !!
আমি যখন এই বয়সে ছিলাম....স্কুল হতে ফিরার সময় এক আঙ্কেল এর বাড়ির উঠানে চলে যেতাম। আমার চেয়ে বয়সে অনেক বড়রা যে জায়গায় খেলতো। ব্যাগ মাটিতে রেখে চলতো ক্রিকেট খেলা। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসতো। বাড়ি যাওয়ার কোনো চিন্তা ছিল নাহ। মা চলে আসতো খুঁজতে খুঁজতে প্রতিদিন লাঠি হাতে। কানে ধরতাম আর আসবো নাহ। মার খাইতাম। তবুও ঠিক হতাম নাহ। পরেরদিন ঠিকই আমি উঠানে উপস্থিত খেলার জন্য !
পড়তে বসে মার্বেল গণনা করতাম৷ কয়টা লাভ হয়ছে কিংবা ক্ষতি হয়ছে। লাঠিম খেলার সময় আসলে....দিনে দশ বারোটা লাঠিম বানাইতাম। বাজারে সিগারেট প্যাকেট খুঁজে তাস বানাইতাম। ঐ তাস দিয়ে খেলতাম পাড়ার পোলাপানের সাথে। পলিথনে পাথর মুড়িয়ে ঘুরাইতাম অনেকক্ষণ... তারপর ছেড়ে দিতাম। অনেকদূর চলে যেতো। আবার নিয়ে আসতাম।
আহ!
সোনালী কৈশোর।
কত আনন্দে কেটেছে। ছিল না কোনো ডিপ্রেশন। কোনো আক্ষেপ। কোনো কষ্ট। পড়ার এত চাপ। চার শিকলে বন্দী থাকার কোনো প্রবণতা।
অথচ এখনকার কৈশোর জীবন দেখলে.... খারাপ লাগে।
শুধু খারাপ লাগে....খুবই খারাপ লাগে। বাস্তবিক সব খেলা বাদে তারা জড়িয়ে যাচ্ছে ভার্চুয়াল জগতে। যে জিনিস গুলো সম্বন্ধে পরে জানার কথা ছিল...তারা অনেক আগে সে সব জেনে যাচ্ছে। ছোট বয়সে ঐদিকে ঝুঁকে যাচ্ছে। জীবনটা -কে বিতৃষ্ণা প্রাণের দিকে ঢেলে দিচ্ছে।
সামনে আরো খারাপ হবে। খালি মাঠে উঠবে বড় বড় দালানকোঠা!
নিঃশ্বাস হবে বিষাক্ত !
বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা হবে ক্ষীণ !!
ইচ্ছে হয় প্রতিটা মা বাবাকে বুঝাই।
ছেলের কৈশোর জীবনকে এভাবে নষ্ট করে দিয়েন না৷ তাকে ছেড়ে দিন। মানুষের সাথে মিশতে দিন। খেলতে দিন৷
সে খুশি হবে।সে প্রাণ খুলে হাসতে শিখে যাবে। তার এই হাসির কারণে... আপনি বৃদ্ধ বয়সে দিব্যি হাসতে পারবেন !!
তিন সত্যি!
কোনো কিছু কাউকে খুশি করার জন্য করলে...
উপরে উনি শুধু তা ফিরে দেন না...
তার চেয়ে অনেক বেশী দিবেন আপনাকে !!
বিশ্বাস রাখুন।
তাকে বাঁচতে দিন। সোনালী কৈশোর উপভোগ করতে দিন। জীবন অনেক ছোট। ধন-দৌলত,শিক্ষা...এসব আজ আছে... কাল নেই !
সুন্দর ভাবে বেঁচে থাকলে এসব সবই আসবে... যাবে।
কিন্তু এই যে সময় 'কৈশোর জীবন' তা জীবনে একবারই পাওয়া যায়। তা আর ফিরে আসে না.... কোনোভাবে !

-রিয়াজ উদ্দীন পলাশ
ডিপার্টমেন্ট অব ফিজিক্স, রাজশাহী ইউনিভার্সিটি

Wednesday, December 18, 2019

সত্যিই, ভালোবাসা আসলে বড়ই কঠিন

সত্যিই, ভালোবাসা আসলে বড়ই কঠিন


শান্তিনিকেতনে তখন ক্লাস থ্রি তে পড়তেন অর্নব এবং সাহানা বাজপেয়ী! তুখোড় বন্ধুত্ব তাঁদের দুজনের মধ্যে! ক্লাস ফোরে পড়া অবস্থাতেই অর্নবের প্রেমটা গড়ায় সাহানার প্রতি! যদিও মেয়েটা জানতোনা সেটা। একদিন অর্নব হুট করে সাহানার এক বন্ধুকে বলে বসলো, "বড় হলে আমি সাহানাকেই বিয়ে করবো"... জেনে ফেললো সাহানা! ক্লাস এইট-নাইনে উঠেই জমে গেলো তাঁদের প্রেম! একটা সময় বিয়েও করেন তারা! ছোটবেলার কথা রাখলেন অর্নব! সংসার চলতে থাকে! অতঃপর বিচ্ছেদ...
অর্নব বললেন, ‘সাহানা তো আসলে আমার বন্ধু! আমরা একসঙ্গে শান্তিনিকেতনে ক্লাস থ্রি থেকে পড়েছি! খুব অল্প বয়সে বিয়ে করি আমরা! সাত বছরের বিবাহিত জীবন! কিন্তু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের চাওয়া, পাওয়া তো পাল্টায়! সাহানা লন্ডনে পড়াশোনা করতে যায়! ও এখন বিবাহিত! কিন্তু আমরা পরস্পরের বন্ধুই আছি!

দেশবরেণ্য লেখক হুমায়ুন আহমেদ খুব অল্পবয়সে শুরু করেন লেখালেখি! তার লেখা দেখে তাকে ভালোবেসে ফেলেন গুলতেকিন! বিয়েও করে ফেলেন একটা সময়! হুমায়ুন আহমেদের পরিবারে প্রবেশ করার পর বুঝতে পারেন যে সব উলটো! তার লেখালেখির সাথে তার বাস্তব জীবনের কোনো মিল নেই! তিনি জ্যোৎস্না ভালোবাসেন না! চাঁদের আলো তাকে মন্ত্রের মতো মূগ্ধ করেনা। অতঃপর বিচ্ছেদ! আরো একটা ভালোবাসার সমাপ্তি...

সুবর্ণা মুস্তাফার সঙ্গে একবার হুমায়ুন ফরিদীর প্রচণ্ড ঝগড়া হলো! রাগ করে সুবর্ণা অন্য রুমে গিয়ে দরজা আটকে ঘুমিয়ে পড়লেন। সুবর্ণা সকালে দরজা খুলে দেখেন, যেই রুমে ঝগড়া হয়েছিল, সেই রুমের মেঝে থেকে ছাদের দেয়াল পর্যন্ত একটি কথাই লিখে পুরো রুমকে ভরে ফেলা হয়েছে। "সুবর্ণা,আমি তোমাকে ভালোবাসি!"
এত ভালোবাসাও তাদের বিচ্ছেদ ঠেকাতে পারেনি, ২০০৮ সালে ডিভোর্স হয়! কারণ ভালোবাসা রং বদলায়…! কি প্রেম ছিল তখন ফরিদী-সুবর্ণার! অনেকে বলে এই বিচ্ছেদই খুব একা করে দেয় ফরিদীকে। আর সেই একাকিত্ব জীবনই মৃত্যু ডেকে আনে ফরিদীর!
-সংগৃহীত

Tuesday, May 14, 2019

সম্পর্কে ঝগড়া বেশি মানে প্রেম বেশি, বলছে গবেষণা!

সম্পর্কে ঝগড়া বেশি মানে প্রেম বেশি, বলছে গবেষণা!

ভালবাসার মানুষের সঙ্গে ধুন্ধুমার ঝগড়া করছেন। কিন্তু একটু পরেই আবার মন কেমন কেমন করছে, তাই না? রাগ করে সেই মনের মানুষ রেগেমেগে মোবাইল বন্ধ করে রাখে, ঠিক তখন নিজেই যখন আবার ফোন করেন, আর তখনই ঝগড়াকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে জিতে যায় প্রেম।
তবে সাধারণ বুদ্ধি-বিবেচনায় অনেকেই সেটা বুঝতে পারে না। ‘গার্ডিয়ান’-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এ ব্যাপারে সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ জোসেফ গ্রেনিকে উদ্ধৃত করা হয়েছে।
গ্রেনি হলেন সম্পর্ক সংক্রান্ত ‘ক্রুশিয়াল কনভারসেশন’-এর সহ-রচয়িতা। তার মতে, দম্পতিদের সবচেয়ে বড় ভুল হলো এড়িয়ে যাওয়া। আমরা ভাবি কিন্তু মুখে বলি না, অন্তত যতক্ষণ না পুরো ব্যাপারটা অসহ্য হয়ে ওঠে, ততক্ষণ পর্যন্ত না। আমরা আসলে এই সব কথোপকথনগুলো এড়িয়ে যাই এটা ভেবে যে, বললে অনেক কিছু হতে পারে। কিন্তু আমরা এটা বুঝি না যে না বললেও অনেক কিছু হতে পারে। ওই প্রতিবেদনেই প্রকাশিত একটি সমীক্ষার ফলাফল বলছে, যে সমস্ত দম্পতিরা ঝগড়া করেন, তারাই সম্পর্কের দিক থেকে অনেক বেশি সুখী। তাদের থেকে, যারা সচরাচর সমস্ত মতান্তর-মনান্তর ঝুলিতে লুকিয়ে রাখেন।
এ সংক্রান্ত একাধিক মার্কিন গবেষণার ফলাফলও তাই বলছে। একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে, ৪৪ শতাংশ মার্কিন দম্পতি মনে করেন যে সপ্তাহে অন্তত একবার গুছিয়ে ঝগড়া হওয়ার মানে তাদের পারস্পরিক যোগাযোগ বেশ ভালো। আসলে সম্পর্কে ঝগড়া যত বেশি, তত বেশি উষ্ণ সেই সম্পর্ক। পরস্পরের কাজ নিয়ে, ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন তোলা, তার সমালোচনা করা অথবা অভিমান করা, এই সব কিছুই সম্পর্ককে উজ্জীবিত রাখে।

Friday, May 10, 2019

জন্মের ৬ বছর আগে বিশ্বকাপ দেখেছেন রাশিদ খান!

জন্মের ৬ বছর আগে বিশ্বকাপ দেখেছেন রাশিদ খান!

জন্মসনদ থেকে শুরু করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বয়স লুকানো নতুন কোনো ঘটনা নয়। ক্রীড়াঙ্গনেও এই ঘটনা নতুন কিছু নয়। উপমহাদেশের প্রেক্ষাপটে বয়স লুকোনোটা যেন ক্রীড়াবিদদের জন্য নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়ে গেছে। এই তালিকায় রশিদ খানের নামটাও বেশ পুরনো। 
রশিদ খানের বোলিং নিয়ে যতটা না আলোচনা হয়, তার চেয়ে বেশি আলোচনা হয় আফগান স্পিনারের বয়স নিয়ে। তারকা এই স্পিনারের বিরুদ্ধে বয়স লুকানোর অভিযোগটাও বেশ পুরনো। ক্রিকেটপ্রেমীদের দাবি, খেলোয়াড়ি জীবনে ‘আসল বয়স’ লুকিয়ে খেলছেন রশিদ খান। যে বয়সটা দেখানো হয়েছে, আফগান স্পিনারের বয়স তার চেয়ে অনেক বেশি।
এসব ব্যাপারে অবশ্য কখনো মুখ খোলেননি আফগানিস্তানের এই তারকা স্পিনার। তবে আসন্ন ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের আগে হঠাৎ করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে রশিদ খানের বয়স। বলা বাহুল্য, নিজের বয়সটা আলোচনায় নিয়ে এসেছেন তিনি নিজেই।
আর মাত্র ২৭ দিনের অপেক্ষা। এরপর মাঠে গড়াবে বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে জমজমাট আসর ওয়ানডে বিশ্বকাপ। চলতি বছরের ৩০ মে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের মাঠে পর্দা উঠছে আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১২তম আসরের। বিশ্বকাপ সামনে রেখে এই মুহূর্তে দক্ষিণ আফ্রিকায় ক্যাম্প করছে আফগানিস্তান। কিন্তু ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) খেলতে এই মুহূর্তে ভারতে অবস্থান করছেন রশিদ খান।
আইপিএলের ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসে রশিদ খান বলেন, ‘১৯৯২ সালে পাকিস্তানের অধিনায়ক ইমরান খানের হাতে বিশ্বকাপের ট্রফি দেখে বিশ্বকাপ খেলার ইচ্ছা জাগে আমার। সেখান থেকেই আমি অনুপ্রাণিত হই।’
রশিদ খানের এই বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে। কারণটাও বেশ পরিষ্কার। ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো থেকে শুরু করে সর্বত্রই রশিদ খানের জন্ম তারিখ দেওয়া আছে ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮। এমনকি পাসপোর্টেও এটাই তার জন্ম তারিখ। ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রশ্ন, রশিদ খানের জন্ম ১৯৯৮ সালে হলে তিনি কীভাবে ১৯৯২ বিশ্বকাপ দেখেন এবং সেখান থেকে অনুপ্রাণিত হন?