Showing posts with label ছবিঘর. Show all posts
Showing posts with label ছবিঘর. Show all posts

Monday, March 30, 2020

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন "কাইশ্যা" খ্যাত কেন শিমুরা

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন "কাইশ্যা" খ্যাত কেন শিমুরা


কেন শিমুরা একজন জাপানিজ কমেডিয়ান। বাংলাদেশে যিনি পরিচিত ক্যাইশা নামে। ২৯ মার্চ ২০২০ করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৭০ বছর বয়সী এই কৌতুক অভিনেতা মারা যান । বিশ্বজুড়েই কমেডিয়ান হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয় কাইশ্যা। 
টোকিওর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার তার মৃত্যু হয়। সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির ন্যাশনাল ব্রডকাস্টিং অর্গানাইজেশন।

Tuesday, January 21, 2020

ক্যালিপ্সো এবং ডেভি জোন্সের প্রেমের কাহিনী

ক্যালিপ্সো এবং ডেভি জোন্সের প্রেমের কাহিনী


পাইরেটস অফ দ্যা ক্যারাবিয়ান মুভি আমরা অনেকেই দেখেছি।পুরো মুভি সিরিজ তৈরী হয়েছে একই নামের একটি রূপকথার বই সিরিজের উপর ভিত্তি করে।এই মুভি সিরিজের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় মুভিতে আমরা ফ্লাইং ডাচম্যান জাহাজের ক্যাপ্টেন এবং এই মুভি সিরিজের সবচেয়ে ভয়ংকর ভিলেন ডেভি জোন্সের দেখা পাই,যে কি না প্রচন্ড জেদী,বদমেজাজী,নির্দয় এবং নিষ্ঠুর হিসেবে পর্দায় চিত্রিত হয়েছে।কিন্তু,মুভিতে ডেভি জোন্সকে যেভাবে দেখানো হয়েছে,বইতে তার এমন হয়ে ওঠার পিছনের কাহিনী উঠে এসেছে।সেই কাহিনী অনেক বেশি হৃদয়স্পর্শী এবং কষ্টের।

ডেভি জোন্স ছিলো ক্যারিবিয়ান সাগরের সবচেয়ে দক্ষ ক্যাপ্টেন এবং নাবিক।ঘটনাচক্রে তার সাথে পরিচয় হয় সাগরের একজন দেবী ক্যালিপ্সোর সাথে।ক্যালিপ্সো এবং ডেভি জোন্স একে অন্যের প্রেমে পড়ে।ক্যালিপ্সো ডেভি জোন্সকে তার অনেক গোপন কথা বলে দেয়।এক পর্যায়ে,ডেভি জোন্সের মৃত্যুর কথা স্মরণ করে শংকিত হয়ে ক্যালিপ্সো ঠিক করে,ডেভি জোন্সকে এমন দায়িত্ব সে দেবে,যেন ডেভি জোন্স সহজে মারা না যায়।সেইজন্য ক্যালিপ্সো তাকে ফ্লাইং ডাচম্যান জাহাজের ক্যাপ্টেন বানায় এবং দায়িত্ব দেয় যে,সাগরে যারা মারা যায়,তাদের আত্মাকে ডাচম্যানে করে অন্য ভুবনে পৌছে দেবার।তবে এখানে শর্ত থাকে এই যে,ডেভি জোন্স ক্যালিপ্সোর সাথে দেখা করার সুযোগ পাবে দশ বছরে মাত্র একদিন।সেদিন সারাদিন তারা একসাথে থেকে সূর্যাস্তের পর আবার আলাদা হবে এবং জোন্স সাগরে চলে যাবে।ডেভি জোন্স এই প্রস্তাব মেনে নেয় এবং সে ফ্লাইং ডাচম্যান জাহাজের ক্যাপ্টেনের দায়িত্ব নেয়।দশ বছর তার দায়িত্ব পালনের পরে জোন্স একদিন সাগরের উপরে উঠে আসে এবং ক্যালিপ্সোর জন্য অপেক্ষা করতে থাকে।কিন্তু,সেদিন কোনো এক কারণে ক্যালিপ্সো তার সাথে দেখা করতে পারে নি।সারাদিন অপেক্ষার পরেও যখন ক্যালিপ্সো আসে না,তখন ডেভি জোন্সের হৃদয় ভেঙ্গে যায়।সে মনে করে,ক্যালিপ্সো তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।তাই,রাগে-দুঃখে-ঘৃণায় ডেভি জোন্স প্রতিশোধ নিতে চায় ক্যালিপ্সোর উপর।ক্যালিপ্সো ডেভি জোন্সের সাথে তার অনেক গোপন কথা বলেছিলো।সেগুলোর মধ্যে একটি হলো,তাকে মানুষ বানিয়ে বন্দি করে রাখার পদ্ধতি।ডেভি জোন্স ঠিক করে,সে এই গোপন কথাটা ক্যালিপ্সোর শত্রুদের বলে দেবে।সে গোপনে জলদস্যুদের সভা ডাকে এবং সেখানে ক্যালিপ্সোকে মানুষের শরীরে বন্দি করার উপায় বলে দেয়।

জলদস্যুরা নিজেদের লাভের কথা চিন্তা করে ক্যালিপ্সোকে মানুষের শরীরে বন্দি করতে রাজি হয়।তারা ক্যালিপ্সোকে মানুষ বানিয়ে একটি দ্বীপে পাঠিয়ে দেয়।ক্যালিপ্সো সমুদ্রের অনেক গোপন কথা জানতো।তাই,জলদস্যুরা বিভিন্ন জিনিসের বিনিময়ে তার কাছ থেকে বিভিন্ন সুবিধা নিতো।বিভিন্ন তথ্য,জাদুটোনার সাহায্য নিতো তারা ক্যালিপ্সোর কাছ থেকে।ক্যালিপ্সো তখন পরিণত হয় তাদের জন্য একজন জাদুকর ডাইনীতে,যে কি না বিভিন্নভাবে জলদস্যুদের সাহায্য করতো,আবার কাউকে বিপদে ফেলতো।এর মাঝে একদিন ডেভি জোন্স নিজের ভুল বুঝতে পারে।কিন্তু ততোদিনে কনেক দেরী হয়ে গেছে।ক্যালিপ্সো তাকে আর চায় না তখন।তাদের মধ্যে তখন এমন এক দূরত্ব,যেটা কমানোর আর উপায় নেই।ডেভি জোন্স তখন আত্মা পারাপারের কাজ ছেড়ে নিজের জাহাজের ক্রু বাড়াতে থাকে।ডাচম্যান জাহাজ নিয়ে সে দূর্ঘটনায় পড়া জাহাজে যেতো,আর সেখান থেকে বেচেঁ থাকা নাবিকদের দুটো চয়েজ দিতো।এক.তার জাহাজে একশো বছর কাজ করা।দুই.মৃত্যু।যারা কাজ করতে চাইতো না,তাদের ডেভি জোন্স মেরে ফেলতো। এভাবে সে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে।সাগরের সবাই তাকে খুব ভয় পেতে শুরু করে তখন।

ডেভি জোন্স নিজের কাছে ভালোবাসার কিছু নিদর্শন রেখেছিলো।সেগুলো একটি ছোট সিন্দুকে থাকতো।সেই সিন্দুকের নাম ছিলো "ডেড ম্যান'স চেস্ট"।সেখানে ছিলো ক্যালিপ্সোকে লেখা চিঠি আর অন্যান্য উপহার সামগ্রী।ডেভি জোন্স সেই সিন্দুকে তার নিজের হৃদপিন্ড কেটে রেখে দেয়। আর বলে দেয়,সেই হৃদপিন্ডে কেউ ছুরি বসালেই কেবল ডেভি জোন্সের মৃত্যু হবে।নয়তো অন্য কোনো উপায়ে তাকে মারা যাবে না।সেই সিন্দুক সে দূর্গম এক দ্বীপে(আইলা অফ ক্যারাকাস) লুকিয়ে রাখে,যার খোঁজ সে ছাড়া আর কেউ জানতো না।আর,সেই সিন্দুকের চাবি সে রাখে নিজের কাছে।

ডেভি জোন্স সমুদ্রে থাকতে থাকতে তার শরীরে বিভিন্ন প্রাণী থাকা শুরু করে বা তার শরীরে বিভিন্ন প্রাণী জন্মায়।হাতে কাকড়ার মতো দাঁড়া যোগ হয়।মাথায় অক্টোপাস বসে।সে তখন দেখতে হয় বিকট দর্শন কোনো দানবের মতো।তার সব নাবিকের গায়েও বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণী বাসা বানায়,জন্মায়।তার কারণে তার লোকদের আর মানুষ বলে চেনা যায় না।সমুদ্রে থাকতে থাকতে ডেভি জোন্স সমুদ্রের দানব ক্র্যাকেনকে বশ করে।তাকে নিজের পোষা প্রাণী বানায়।সময়ে সময়ে সে ক্র্যাকেন কে তার শত্রু জাহাজের বিপক্ষে লেলিয়ে দিতো।

তবু,রাতে যখন সব চুপ হয়ে যেতো,মাঝে মাঝে ফ্লাইং ডাচম্যানের ক্যাপ্টেনের ঘর থেকে পিয়ানোর করুণ সুর বেজে উঠতো।রাতে যখন ডেভি জোন্স তার পুরোনো স্মৃতি রোমন্থন করতো,তখন সে মনের দুঃখে পিয়ানো বাজাতো।তার মনের কষ্ট পিয়ানোর সুরে বেজে উঠতো।

ডেভি জোন্স ক্যালিপ্সোকে প্রচন্ড ভালোবাসতো।তাই,সে সামান্য অবহেলাও নিতে পারে নি।এই অবহেলা তাকে প্রতিশোধপরায়ণ করে তোলে।ভাবতে শেখায়,ক্যালিপ্সো বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।তখন সে তাকে ঘৃণা করতে শুরু করে।ওদিকে,ক্যালিপ্সোও ডেভি জোন্সকে অনেক ভালোবাসতো।কিন্তু,ডেভি জোন্সের সাথে ভুল বোঝাবুঝিতে তার সাথে ডেভি জোন্সের সম্পর্কের ইতি ঘটে।সেখানে জায়গা করে নেয় ঘৃণা।ক্যালিপ্সো আর ডেভি জোন্স একে অপরকে প্রচন্ড ঘৃণা করলেও,সেই ঘৃণার পিছনে লুকানো থাকতো ভালোবাসা,যার টান তারা ফেলতে পারতো না।সত্যি বলতে,বাস্তব জীবনে এমন প্রচুর কাপল বা জুটি পাওয়া যায়,যারা এক সময়ে একজন আরেকজনকে প্রচন্ড ভালোবাসতো।কিন্তু,পরে সেটা তিক্ততায় মোড় নেয়।সেই তিক্ততা একদিন ঘৃণার জন্ম দেয়,যে ঘৃণা দুইজনকে অনেক অনেক দূরে সরিয়ে দেয়।শেষে দুইজনের মাঝে ঘৃণা টিকে থাকে।আর,সেই ঘৃণার পিছনে লুকানো থাকে হারিয়ে ফেলা ভালোবাসা!ডেভি জোন্স আর ক্যালিপ্সোর কাহিনীটা সেই ভালোবাসার এক অসাধারণ রূপক গল্প,যেটা রূপকথার পাতায় দারুণভাবে উঠে এসেছে।
লিখেছেনঃ MD K N Rabby

Saturday, November 30, 2019

নিলামে 'মোনা লিসার' রেপ্লিকার দাম উঠলো ৫৫২,৫০০ ইউরো

নিলামে 'মোনা লিসার' রেপ্লিকার দাম উঠলো ৫৫২,৫০০ ইউরো


গত ২৬ তারিখ মঙ্গলবার লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির বিখ্যাত "মোনা লিসা" ছবিটির একটি রেপ্লিকা বা অনুলিপি প্যারিসের একটি নিলাম ঘরে বিক্রি হয়ে ৫৫২,৫০০ ইউরো বা ৬১১,৯৫০ ডলারে । যা ছবিটির জন্য ধরা প্রাথমিক দাম ৭০,০০০-৯০,০০০ ইউরোর চেয়ে অনেক-অনেক বেশি ।
এই রেপ্লিকাটি ১৭শ-শতাব্দিতে তৈরি করা হয়েছিলো ।

"মোনা লিসা" মূল ছবিটি যার উপর লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি ১৫০৩ সালে কাজ শুরু করেছিলেন তা ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্যারিসের লুভের যাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে। এটি ফ্রান্সেস্কো জিয়োকন্ডোর নামক একজন রেশম ব্যবসায়ীর  স্ত্রী লিসা ঘেরার্ডিনীকে চিত্রিত করা হয়েছিলো ।

Saturday, September 21, 2019

চন্দনপুরা হামিদিয়া তাজ মসজিদ

চন্দনপুরা হামিদিয়া তাজ মসজিদ


মোঘল স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন হিসেবে চট্টগ্রামের চকবাজার ওয়ার্ডের চন্দনপুরা এলাকায় সিরাজউদ্দৌলা সড়কের পশ্চিম পাশে স্বগৌরবে মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৪০০ বছরের পুরোনো চন্দনপুরা হামিদিয়া তাজ মসজিদ যা চন্দনপুরা মসজিদ নামে পরিচিত। ধারণা করা হয় যে, মোঘল শাসনামলেই মোঘল রাজ্যের নিদর্শন হিসেবে এই মসজিদটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল।
মসজিদের প্রবেশদ্বারের কার্নিশে খোদাই করে মাস্টার আব্দুল হামিদের নাম লিখা রয়েছে। তিনি ব্রিটিশ শাসনামলে এই মসজিদের ১ম সংস্কারের কাজ শুরু করেন যা ১৯৫০ সালে শেষ হয়। সংস্কার কাজের জন্য লাহোর থেকে মোঘল ঘরানার কারিগর আনা হয়েছিল এবং ভারতবর্ষের বিভিন্ন অংশ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল মসজিদটি নির্মাণের উপকরণ। সেই সময় সংস্কারকাজে প্রায় চার লক্ষ টাকা ব্যয় করা হয়।
মসজিদটিতে ১৫ টি গম্বুজ আছে। প্রচলিত আছে যে সবচেয়ে বড় গম্বুজটি ১০ টন পিতল দিয়ে তৈরি। তিন গন্ডা জমির উপর দাঁড়িয়ে থাকা এই মসজিদটির গম্বুজগুলো পূর্বে রোদের আলোয় ঝলমল করে।
বিভিন্ন জায়গায় চট্টগ্রামের প্রতীক হিসেবে এই মসজিদের ছবি ব্যবহার করা হয়। পর্যটন কর্পোরেশন এমনকি জাপানভিত্তিক এশিয়া ট্র্যাভেল টুরস ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদেও মসজিদটির ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল।
ইতিহাসবিজড়িত দৃষ্টিনন্দন এই স্থাপত্যশৈলীটি হারিয়েছে তার আগের জৌলুস। তবুও এখনো এই মসজিদের সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে দেশ বিদেশ থেকে ছুটে আসেন পর্যটক। চট্টগ্রামের মাটিতে স্বগৌরবে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে থাকা এই মসজিদ চট্টগ্রাম শহরের ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

-সংগৃহীত