Showing posts with label এন্টারটেইনমেন্ট. Show all posts
Showing posts with label এন্টারটেইনমেন্ট. Show all posts

Friday, April 10, 2020

'আয়নাবাজি'র একটি রিভিউ

'আয়নাবাজি'র একটি রিভিউ


''চারপাশ বদলে যায়,
থেমে যায় সময়;
সবার জন্য সব সত্য,
আমার জন্য অভিনয়।''

এই একটি সংলাপই আসলে যথেষ্ট 'আয়নাবাজি'কে বর্ণণা করার জন্য । আয়নাবাজির আয়নাতে আমাদের সমাজেরই চারপাশের থাকে মুখোশের আড়ালের মানুষগুলোর আসল রূপ দেখিয়ে দেয় ।
এই শহরের আনাচে-কানাচে অসংখ্য গল্প লুকিয়ে আছে , কিছু গল্প আমাদের চোখের সামনে দৃশ্যমান , কিছু গল্প আমাদের অগচোরেই থেকে যায় , যার অস্তিত্ব হয়তো আমরা ধারণাই করতে পারিনা । এরকমই একটি গল্প পর্দায় তুলে এনেছেন অমিতাভ রেজা চৌধুরী । পরিচালক হিসেবে তিনি যে খুব পরিচিত কেউ তা বলবোনা । কারণ তিনি ছিলেন বিজ্ঞাপণের নির্মাতা আর বিজ্ঞাপণের পেছনের মানুষদের খবর আমরা কে কতোই বা রাখি ? তিনি যখন এই চলচ্চিত্র নিয়ে আসেন তখনও এর সফলতা নিয়ে কিন্ঞ্চিত সন্দিহান ছিলাম কারণ ঢালিউডের সেসময়ে দর্শকরা প্রায় হল থেকে মুখ ফিরিয়েই নিয়েছিলো । মানহীন ছবির মিছিলে বছরে শুধু ঈদের সময়টাতেই মানুষ একটু হলমুখী হতো মানসম্মত কাজের আশায় । মাল্টিপ্লেসগুলো টিকে থাকতো মার্কিন চলচ্চিত্রের কল্যানে । কিন্তু আয়নাবাজি যখন হলে আসে তখন কোন উৎসব বা সরকারি বিশেষ দিবস ছিলোনা , প্রচারণাও সেরকম হয়নি । তবুও চলচ্চিত্র মুক্তির পরে আলোড়ন ফেলে দেয় । মানুষের ভীরে হলে জায়গা দেওয়া ভার । মানসম্মত গল্পের হাহাকারটা খুব ভালোই বোঝা যায় ।
এজন্য সোশ্যাল মিডিয়াকে একটা ধন্যবাদ দিতেই হয় । ফেসবুকের রিভিউএর কল্যানেই মুভিটি এতটা সাড়া ফেলে ।
প্রধান চরিত্রে চন্ঞ্চল চৌধুরী অসাধারণ , অনবদ্য অভিনয় করেছেন । ছয়টি ভিন্ন চরিত্রের প্রতিটিতেই তিনি ছিলেন যথাযথ । বলতে গেলে তিনিই মুভির সবকিছু । বহুদিন পর ফিরেই আবার বাজিমাত করে দিয়েছেন তিনি এবং পরবর্তীতে 'দেবী'তেও সে ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্য রেখেছেন । নবাগতা হিসেবে নাবিলা তার ন্যাচারাল অভিনয়ের উপযুক্ত যাচাই করেছেন , পার্শ্ব চরিত্রে পার্থ বড়ুয়া , গাউসুল আলম শাওন আর সেই '' ছোট বাচ্চাটা '' নিজ নিজ চরিত্রে পারফেক্ট ছিলেন । অতিথি চরিত্রে আরিফিন শুভ একটা সার্প্রাইজ ছিলো ।
সংলাপগুলো একটা মুভির সাথে দর্শককে ধরে রাখে । এই মুভির সংলাপগুলো এই মুভির ভাইরাল হবার অন্যতম একটা কারণ । ঢালিউডের মুভির সংলাপ দিয়ে আলোচনায় আসা সচরাচর ঘটেনা । প্রতিটা সংলাপই দূর্দান্ত ছিলো এবং বেশ কিছু সংলাপ তখন সবার মুখে মুখে ঘুরতো ।

থ্রীলার মুভিতে বিজিএম অত্যন্ত্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে গল্পের আবহটা আরও ভালোভাবে অনুভব করাতে । সেই হিসেবে মুভির বিজিএম ১০/১০ । এরপর বলতে হয় টাইটেল ট্র্যাকটার কথা । মুভির জনারের সাথে পুরোপুরি খাপ খায় গানটি । এরকম বিজিএম যে ঢালিউডে হতে পারে তা অনেকেরই ধারণায় ছিলোনা । হাবিব ওয়াহিদের ''ধীরে ধীরে যাওনা সময় এর পুনঃসৃষ্টি শ্রুতিমধুর ছিলো । অর্ণবের '' এই শহর আমার '' গানটা এই কঠিন শহরকে আবার ভালোবাসতে শেখাবে । চিরকুটের '' পাপ জমাই '' গানটা হৃদয়স্পর্ষী ছিলো ।
সিনেমাটোগ্রাফির কথা আলাদা করে বলতেই হয় । পুরান ঢাকার এক অচেনা রূপ উঠে এসেছে এই মুভিতে । পুরাণ ঢাকা বলতেই যাদের চোখে হাজার হাজার রিক্সা , চিপা গলি , পুরনো ঘিন্ঞ্জি বাড়ি ভেসে ওঠে তারা নতুন করে চিনবে এই এলাকাকে । ভিএফএক্সের কাজ যেটুকু ছিলো নিখুঁত ছিলো ।

সব মিলিয়ে লকডাউনের এই সময়ে বাসায় বসে পড়ন্ত বিকেলে উপভোগ করার জন্য উপযুক্ত চলচ্চিত্র । দূর্দান্ত থ্রিলীং গল্প , তার মাঝে আবার ছোট্ট একটি ভালোবাসার গল্প আর কিছু ভাঁড়ামোবিহীন কমেডি ।
IMDB - 9.2/10
লিখেছেন-শাফিন আহমেদ

Tuesday, January 21, 2020

ক্যালিপ্সো এবং ডেভি জোন্সের প্রেমের কাহিনী

ক্যালিপ্সো এবং ডেভি জোন্সের প্রেমের কাহিনী


পাইরেটস অফ দ্যা ক্যারাবিয়ান মুভি আমরা অনেকেই দেখেছি।পুরো মুভি সিরিজ তৈরী হয়েছে একই নামের একটি রূপকথার বই সিরিজের উপর ভিত্তি করে।এই মুভি সিরিজের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় মুভিতে আমরা ফ্লাইং ডাচম্যান জাহাজের ক্যাপ্টেন এবং এই মুভি সিরিজের সবচেয়ে ভয়ংকর ভিলেন ডেভি জোন্সের দেখা পাই,যে কি না প্রচন্ড জেদী,বদমেজাজী,নির্দয় এবং নিষ্ঠুর হিসেবে পর্দায় চিত্রিত হয়েছে।কিন্তু,মুভিতে ডেভি জোন্সকে যেভাবে দেখানো হয়েছে,বইতে তার এমন হয়ে ওঠার পিছনের কাহিনী উঠে এসেছে।সেই কাহিনী অনেক বেশি হৃদয়স্পর্শী এবং কষ্টের।

ডেভি জোন্স ছিলো ক্যারিবিয়ান সাগরের সবচেয়ে দক্ষ ক্যাপ্টেন এবং নাবিক।ঘটনাচক্রে তার সাথে পরিচয় হয় সাগরের একজন দেবী ক্যালিপ্সোর সাথে।ক্যালিপ্সো এবং ডেভি জোন্স একে অন্যের প্রেমে পড়ে।ক্যালিপ্সো ডেভি জোন্সকে তার অনেক গোপন কথা বলে দেয়।এক পর্যায়ে,ডেভি জোন্সের মৃত্যুর কথা স্মরণ করে শংকিত হয়ে ক্যালিপ্সো ঠিক করে,ডেভি জোন্সকে এমন দায়িত্ব সে দেবে,যেন ডেভি জোন্স সহজে মারা না যায়।সেইজন্য ক্যালিপ্সো তাকে ফ্লাইং ডাচম্যান জাহাজের ক্যাপ্টেন বানায় এবং দায়িত্ব দেয় যে,সাগরে যারা মারা যায়,তাদের আত্মাকে ডাচম্যানে করে অন্য ভুবনে পৌছে দেবার।তবে এখানে শর্ত থাকে এই যে,ডেভি জোন্স ক্যালিপ্সোর সাথে দেখা করার সুযোগ পাবে দশ বছরে মাত্র একদিন।সেদিন সারাদিন তারা একসাথে থেকে সূর্যাস্তের পর আবার আলাদা হবে এবং জোন্স সাগরে চলে যাবে।ডেভি জোন্স এই প্রস্তাব মেনে নেয় এবং সে ফ্লাইং ডাচম্যান জাহাজের ক্যাপ্টেনের দায়িত্ব নেয়।দশ বছর তার দায়িত্ব পালনের পরে জোন্স একদিন সাগরের উপরে উঠে আসে এবং ক্যালিপ্সোর জন্য অপেক্ষা করতে থাকে।কিন্তু,সেদিন কোনো এক কারণে ক্যালিপ্সো তার সাথে দেখা করতে পারে নি।সারাদিন অপেক্ষার পরেও যখন ক্যালিপ্সো আসে না,তখন ডেভি জোন্সের হৃদয় ভেঙ্গে যায়।সে মনে করে,ক্যালিপ্সো তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।তাই,রাগে-দুঃখে-ঘৃণায় ডেভি জোন্স প্রতিশোধ নিতে চায় ক্যালিপ্সোর উপর।ক্যালিপ্সো ডেভি জোন্সের সাথে তার অনেক গোপন কথা বলেছিলো।সেগুলোর মধ্যে একটি হলো,তাকে মানুষ বানিয়ে বন্দি করে রাখার পদ্ধতি।ডেভি জোন্স ঠিক করে,সে এই গোপন কথাটা ক্যালিপ্সোর শত্রুদের বলে দেবে।সে গোপনে জলদস্যুদের সভা ডাকে এবং সেখানে ক্যালিপ্সোকে মানুষের শরীরে বন্দি করার উপায় বলে দেয়।

জলদস্যুরা নিজেদের লাভের কথা চিন্তা করে ক্যালিপ্সোকে মানুষের শরীরে বন্দি করতে রাজি হয়।তারা ক্যালিপ্সোকে মানুষ বানিয়ে একটি দ্বীপে পাঠিয়ে দেয়।ক্যালিপ্সো সমুদ্রের অনেক গোপন কথা জানতো।তাই,জলদস্যুরা বিভিন্ন জিনিসের বিনিময়ে তার কাছ থেকে বিভিন্ন সুবিধা নিতো।বিভিন্ন তথ্য,জাদুটোনার সাহায্য নিতো তারা ক্যালিপ্সোর কাছ থেকে।ক্যালিপ্সো তখন পরিণত হয় তাদের জন্য একজন জাদুকর ডাইনীতে,যে কি না বিভিন্নভাবে জলদস্যুদের সাহায্য করতো,আবার কাউকে বিপদে ফেলতো।এর মাঝে একদিন ডেভি জোন্স নিজের ভুল বুঝতে পারে।কিন্তু ততোদিনে কনেক দেরী হয়ে গেছে।ক্যালিপ্সো তাকে আর চায় না তখন।তাদের মধ্যে তখন এমন এক দূরত্ব,যেটা কমানোর আর উপায় নেই।ডেভি জোন্স তখন আত্মা পারাপারের কাজ ছেড়ে নিজের জাহাজের ক্রু বাড়াতে থাকে।ডাচম্যান জাহাজ নিয়ে সে দূর্ঘটনায় পড়া জাহাজে যেতো,আর সেখান থেকে বেচেঁ থাকা নাবিকদের দুটো চয়েজ দিতো।এক.তার জাহাজে একশো বছর কাজ করা।দুই.মৃত্যু।যারা কাজ করতে চাইতো না,তাদের ডেভি জোন্স মেরে ফেলতো। এভাবে সে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে।সাগরের সবাই তাকে খুব ভয় পেতে শুরু করে তখন।

ডেভি জোন্স নিজের কাছে ভালোবাসার কিছু নিদর্শন রেখেছিলো।সেগুলো একটি ছোট সিন্দুকে থাকতো।সেই সিন্দুকের নাম ছিলো "ডেড ম্যান'স চেস্ট"।সেখানে ছিলো ক্যালিপ্সোকে লেখা চিঠি আর অন্যান্য উপহার সামগ্রী।ডেভি জোন্স সেই সিন্দুকে তার নিজের হৃদপিন্ড কেটে রেখে দেয়। আর বলে দেয়,সেই হৃদপিন্ডে কেউ ছুরি বসালেই কেবল ডেভি জোন্সের মৃত্যু হবে।নয়তো অন্য কোনো উপায়ে তাকে মারা যাবে না।সেই সিন্দুক সে দূর্গম এক দ্বীপে(আইলা অফ ক্যারাকাস) লুকিয়ে রাখে,যার খোঁজ সে ছাড়া আর কেউ জানতো না।আর,সেই সিন্দুকের চাবি সে রাখে নিজের কাছে।

ডেভি জোন্স সমুদ্রে থাকতে থাকতে তার শরীরে বিভিন্ন প্রাণী থাকা শুরু করে বা তার শরীরে বিভিন্ন প্রাণী জন্মায়।হাতে কাকড়ার মতো দাঁড়া যোগ হয়।মাথায় অক্টোপাস বসে।সে তখন দেখতে হয় বিকট দর্শন কোনো দানবের মতো।তার সব নাবিকের গায়েও বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণী বাসা বানায়,জন্মায়।তার কারণে তার লোকদের আর মানুষ বলে চেনা যায় না।সমুদ্রে থাকতে থাকতে ডেভি জোন্স সমুদ্রের দানব ক্র্যাকেনকে বশ করে।তাকে নিজের পোষা প্রাণী বানায়।সময়ে সময়ে সে ক্র্যাকেন কে তার শত্রু জাহাজের বিপক্ষে লেলিয়ে দিতো।

তবু,রাতে যখন সব চুপ হয়ে যেতো,মাঝে মাঝে ফ্লাইং ডাচম্যানের ক্যাপ্টেনের ঘর থেকে পিয়ানোর করুণ সুর বেজে উঠতো।রাতে যখন ডেভি জোন্স তার পুরোনো স্মৃতি রোমন্থন করতো,তখন সে মনের দুঃখে পিয়ানো বাজাতো।তার মনের কষ্ট পিয়ানোর সুরে বেজে উঠতো।

ডেভি জোন্স ক্যালিপ্সোকে প্রচন্ড ভালোবাসতো।তাই,সে সামান্য অবহেলাও নিতে পারে নি।এই অবহেলা তাকে প্রতিশোধপরায়ণ করে তোলে।ভাবতে শেখায়,ক্যালিপ্সো বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।তখন সে তাকে ঘৃণা করতে শুরু করে।ওদিকে,ক্যালিপ্সোও ডেভি জোন্সকে অনেক ভালোবাসতো।কিন্তু,ডেভি জোন্সের সাথে ভুল বোঝাবুঝিতে তার সাথে ডেভি জোন্সের সম্পর্কের ইতি ঘটে।সেখানে জায়গা করে নেয় ঘৃণা।ক্যালিপ্সো আর ডেভি জোন্স একে অপরকে প্রচন্ড ঘৃণা করলেও,সেই ঘৃণার পিছনে লুকানো থাকতো ভালোবাসা,যার টান তারা ফেলতে পারতো না।সত্যি বলতে,বাস্তব জীবনে এমন প্রচুর কাপল বা জুটি পাওয়া যায়,যারা এক সময়ে একজন আরেকজনকে প্রচন্ড ভালোবাসতো।কিন্তু,পরে সেটা তিক্ততায় মোড় নেয়।সেই তিক্ততা একদিন ঘৃণার জন্ম দেয়,যে ঘৃণা দুইজনকে অনেক অনেক দূরে সরিয়ে দেয়।শেষে দুইজনের মাঝে ঘৃণা টিকে থাকে।আর,সেই ঘৃণার পিছনে লুকানো থাকে হারিয়ে ফেলা ভালোবাসা!ডেভি জোন্স আর ক্যালিপ্সোর কাহিনীটা সেই ভালোবাসার এক অসাধারণ রূপক গল্প,যেটা রূপকথার পাতায় দারুণভাবে উঠে এসেছে।
লিখেছেনঃ MD K N Rabby

Monday, December 30, 2019

বিয়ে করলেন মোনা সিং

বিয়ে করলেন মোনা সিং


‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমার সেই দৃশ্যটির কথা মনে আছে! প্রসব বেদনায় ছটফট করছেন এক নারী। বাইরে তুমুল বৃষ্টি। হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয় না তাকে। আমির খান ঝুঁকি নিয়ে প্রসব করার শিশুটিকে। মায়ের দৃশ্যে অভিনয় করা মেয়েটি ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মোনা সিং।

‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমার সেই মোনা সিং বিয়ে করলেন । গত শুক্রবার মুম্বাইয়ে জুহু মিলিটারি ক্লাবে সাদা মাটা আয়োজনে বিয়েটা সেরে ফেললেন মোনা।

Friday, December 6, 2019

বিবাহিত মিথিলা-সৃজিতের মধুচন্দ্রিমা সুইজারল্যান্ডে

বিবাহিত মিথিলা-সৃজিতের মধুচন্দ্রিমা সুইজারল্যান্ডে

বাংলাদেশের ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী  মিথিলাকে বিয়ে করেছেন ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি।
শুক্রবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কলকাতায় সৃজিত মুখার্জির বাসায় তাঁদের বিয়ে রেজিস্ট্রি হয় ।
বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ঘরোয়াভাবেই করা হয় ।
মিথিলা জানিয়েছেন, আগামীকাল শনিবার মধুচন্দ্রিমায় তাঁরা সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন। সেখানে মধুচন্দ্রিমার পাশাপাশি জেনেভায় একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে মিথিলা পিএইচডির রেজিস্ট্রেশন করবেন।
বিয়েতে মিথিলা জামদানি শাড়ি পরেছেন আর সৃজিত পরেছেন পাজামা, পাঞ্জাবি ও জহরকোট।
সংগীতশিল্পী তাহসানের সঙ্গে মিথিলার বিয়ে হয় ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট। তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয় ২০১৭ সালের জুলাই মাসে।

Saturday, November 30, 2019

মুক্তি পেল 'ন ডরাই'

মুক্তি পেল 'ন ডরাই'


২০১৯ সাল দেশি চলচ্চিত্রের জন্য এক ঘটনাবহুল বছর ছিল। পাসওয়ার্ড ও সাপলুডুর মত ব্যবসাসফল ছবির পাশাপাশি ফাগুন হাওয়ায় ও মায়াবতীর মত ভিন্ন ধারার ছবিও আমরা এবছর পেয়েছি। গুণী নির্মাতা মোস্তফা সারওয়ার ফারুকীর বহুল প্রতীক্ষিত ছবি 'শনিবার বিকেল' সেন্সরবোর্ডে অর্থহীন ভাবে আটকে যাওয়ায় চলচ্চিত্র প্রেমীরা হতাশ হয়। গত বছরের তুলনায় এবছর মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির সংখ্যাও কম। কিন্তু সম্প্রতি ২৯শে নভেম্বর স্টার সিনেপ্লেক্স প্রযোজিত ছবি 'ন ডরাই' দেশের প্রেক্ষাগৃহ গুলোতে মুক্তি পায়। সার্ফিং এর মত রোমাঞ্চকর বিষয়কে ভিত্তি করে এ প্রথম কোনো বাংলাদেশি ছবি মুক্তি পায়। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় নির্মিত ছবিটির ট্রেইলার প্রকাশের পরপরই ভক্তদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। অসাধারণ সিনেমাটোগ্রাফি দেখলে বুঝা যায় কক্সবাজারের বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে ছবিটির দৃশ্যধারণ করা হয়েছে। কিছু গালিগালাজপূর্ণ শব্দের কারণে সেন্সরবোর্ডের বিভিন্ন ঝামেলা কাটিয়ে অবশেষে ছবিটি মুক্তি পায়। ছবিটির মূল চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন সুনেরা বিনতে কামাল, শরিফুল রাজ ও সাঈদ বাবু। ছবিটি পরিচালনা করেছেন গুণী নির্মাতা তানিম রহমান অংশু।
-আতিক আলম

Friday, November 29, 2019

অমিতাভ বচ্চন মনে করেন তাঁর শরীর তাঁকে অবসর নেওয়ার বার্তা দিচ্ছে

অমিতাভ বচ্চন মনে করেন তাঁর শরীর তাঁকে অবসর নেওয়ার বার্তা দিচ্ছে


তাঁর বাকেটে পূর্ণ হয়েছে ৫০ বছরেরও বেশি সময় । মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চন মনে করেন যে তাঁর শরীর তাকে অবসর নিতে বলছে।

বৃহস্পতিবার সকালে, ‘শোলে’ অভিনেতা তার টাম্বলার ব্লগে প্রকাশ করেছিলেন যে তাঁর দেহ তাকে অবসর নেওয়ার বার্তা পাঠাচ্ছে।

বর্তমানে মানালিতে আছেন বচ্চন । যেখানে তিনি আলিয়া ভট্ট এবং রণবীর কাপুরের সাথে অয়ন মুখার্জি'র 'ব্রহ্মাস্ত্র' এর শিডিউলের শুটিং করবেন।
 তিনি শহরের প্রশংসা করে লিখেছিলেন, "প্রশান্তি .. সতেজতা এর সারমর্ম .. শীতের অনুভূতি, শুকনো আশা বায়ু .. এবং আজ সকাল ৫ টার পরে একটি বিশ্রাম .. সেখানে প্রচুর বিনীততা এবং আনন্দ উত্সাহের আনন্দ পথ আছে .. ছোট শহরটির সরলতা মহান .. যেমন উদার আতিথেয়তা" ।

উল্লেখ্য যে, অমিতাভ বচ্চনকে আগামী বছরে ‘ঝুন্ড’, ‘ব্রহ্মাস্ত্র’, ‘চেহরে’ এবং ‘গুলাবো সিতাবো’ ছবিতে দেখা যাবে।

Wednesday, November 27, 2019

আপনি যা কিছু করেন তার সেরাটি যদি আপনি দেন তবে আপনি সর্বোত্তম ফলাফল পাবেন : শিল্পা শেঠি

আপনি যা কিছু করেন তার সেরাটি যদি আপনি দেন তবে আপনি সর্বোত্তম ফলাফল পাবেন : শিল্পা শেঠি


শিল্পা শেঠি বিশ্বাস করেন যে যখন ফিটনেসের বিষয়টি আসে তখন সেরা ফলাফল আশা করার জন্য তাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করা উচিত। ফিটনেস ফ্রিক হিসাবে পরিচিত এবং আকর্ষনীয় শরীর রয়েছে এমন এই অভিনেত্রী মঙ্গলবার ভক্তদের সাথে ফিটনেস টিপস শেয়ার করেছেন। ইনস্টাগ্রামে শিল্পা একটি ফটো শেয়ার করেছেন যেখানে তাকে যোগাসন করতে দেখা যায় । তিনি সেই ছবিতে লিখেছেন: " যদি আপনাদের প্রচেষ্টা মাঝারি হয়, তবে ফলাফলগুলিও মাঝারি হবে! আপনি যা কিছু করেন তার সেরাটি যদি আপনি দেন তবে আপনি সর্বোত্তম ফলাফল পাবেন।"

Saturday, November 23, 2019

আসছে 'দাবাং ৩’!

আসছে 'দাবাং ৩’!


বলিউডের পুলিশ চরিত্র গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সালমান খানের 'চুলবুল পান্ডে'। ২০১০ সালের ঈদুল ফিতরে এই চরিত্রের মাধ্যমে দাবাং সিরিজের প্রথম কিস্তি মুক্তি পায়। মাসালা জনরার হওয়ায় ছবিটি তুমুল দর্শকপ্রিয়তা পায় এবং বক্স অফিসে ব্লকবাস্টার হয়। চিত্রনাট্যের পাশাপাশি মুভিটি পরিচালনা করেছিলেন আভিনাব কাশ্যপ। এই সাফল্য বজায় রেখে ২০১২ সালের ক্রিস্টমাসে দাবাং সিরিজের সিকুয়েল দাবাং ২ মুক্তি পায়। এই ছবিটির পরিচালনায় ছিলেন প্রযোজক আরবাজ খান। চিত্রনাট্য সমালোচিত হওয়ার পরও বক্স অফিসে সফলতা পেয়েছিল। এবার আসছে সিরিজের ৩য় কিস্তি দাবাং ৩। ছবিটির পরিচালনায় আছেন সালমানের অন্যতম সফল ছবি 'ওয়ান্টেড ' এর পরিচালক প্রাভু দেভা। বরাবরের মত আছেন সোনাক্ষি সিনহা। ছবিটির ট্রেইলার প্রকাশিত হওয়ার পর সবাই ছবিটির ভিলেন সুদীপ কে নিয়ে অনেক আশাবাদী। এখন ২০ ডিসেম্বর ছবিটি মুক্তির অপেক্ষায় বলিউডপ্রেমীরা....
-আতিক আলম

Saturday, October 26, 2019

নির্মাতা ও অভিনেতা হুমায়ূন সাধু

নির্মাতা ও অভিনেতা হুমায়ূন সাধু


প্রকৃতির খেয়ালে তাঁর শরীরে স্বাভাবিক গড়ন ছিল না। তুলনামূলকভাবে খর্বাকার ছিলেন। এতে অবশ্য থেমে থাকেনি জয়যাত্রা। কোনো বাধাবিপত্তি তিনি আমলে নেননি কখনো। জীবনের টানে বাড়ি ছেড়ে ঢাকায় কিছুদিন কাটান রেলস্টেশনে, বাসস্টেশনে। ঠিকানাবিহীন জীবনে এক সময় ঠিক ঠিক নিজের জায়গা করেন নেন, নির্মাতা ও অভিনেতা হয়ে, লেখালেখি করে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে থেমে গেল আলোচিত ‘ঊন-মানুষ’ নাটকের সেই অদম্য মানুষটির জীবনযাত্রা। নির্মাতা ও অভিনেতা হুমায়ূন সাধু মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

গতকাল দিবাগত রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে হুমায়ূন সাধু শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুর খবরটি জানিয়েছেন নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তিনি বলেন, ‘সাধুকে তিন দিন ধরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। অবশেষে সে জীবনযুদ্ধে হেরে আমাদের ছেড়ে চলে গেল।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘তুই সময় দিছিলি আমাদের তৈরি হওয়ার। আমরা হয়তো তৈরিও হইছিলাম। কিন্তু মানুষ বোধ হয় কখনোই প্রিয়জনের বিদায়ের জন্য তৈরি হইতে পারে না রে, সাধু!’

ফারুকী জানিয়েছেন, আজ বাদ জুমা রাজধানীর তেজগাঁওয়ের রহিম মেটাল জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে হুমায়ূন সাধুর জানাজা। রহিম মেটাল জামে মসজিদের কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হবে।

মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ঊন-মানুষ’ টেলিছবিতে অভিনয় করেছেন হুমায়ূন সাধু। একজন বামন মানুষকে হেয় করা, তাঁকে নিয়ে সবার তিরস্কার, সমাজে টিকে থাকার কঠিন বাস্তবতা, তাঁর আশা, আকাঙ্ক্ষা—এসব নিয়েই গল্প লিখেছেন হুমায়ূন সাধু। সেখান থেকে চিত্রনাট্য লিখেছেন ও পরিচালনা করেছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। ওই সময় টেলিছবিটি দারুণ প্রশংসিত হয়। আলোচিত হয় হুমায়ূন সাধুর অভিনয়। হুমায়ূন সাধু এভাবেই নিজের অভিনয় দিয়ে সবার মন জয় করেছেন।

নয় ভাইবোনের মধ্যে হুমায়ুন সাধু সপ্তম। চট্টগ্রামে তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা। ২০০১ সালে নিজের তাগিদেই বাড়ি ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন সাধু। একপর্যায়ে কাজ শুরু করেন নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সহকারী পরিচালক হিসেবে। একই সঙ্গে লেখালেখি করতে থাকেন।
মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ চলচ্চিত্রে প্রথম অভিনয় করেন হুমায়ূন সাধু। এরপর অসংখ্য নাটক, টেলিছবি, চলচ্চিত্র ও বিজ্ঞাপনচিত্রে অভিনয় করেছেন। কাহিনি ও চিত্রনাট্য লেখার পাশাপাশি তিনি পরিচালনা করেছেন। এবার বাংলা একাডেমির অমর একুশে গ্রন্থমেলায় হুমায়ূন সাধুর লেখা একটি বই বেরিয়েছে। বইটির নাম ‘ননাই’।

হাসিখুশি মানুষটার শিল্পজীবন বেশ চলছিল। কিন্তু ২ অক্টোবর তাঁর পরিবারের মানুষজন জানতে পারেন, হুমায়ূন সাধু অসুস্থ। ঢাকায় যেখানে তিনি শুটিং করছিলেন, সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁর বড় বোন চট্টগ্রামে থাকেন। তিনি ভাইকে সেখানে নিয়ে যান। ৫ অক্টোবর হুমায়ূন সাধুকে চট্টগ্রাম শহরের পার্ক ভিউ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখন চিকিৎসকেরা জানান, তাঁর রক্তে ইনফেকশন ধরা পড়েছে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ১৩ অক্টোবর হুমায়ূন সাধুকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। তাঁকে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায়, তাঁর মস্তিষ্কে স্ট্রোক হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে তাঁর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করতে হবে। কিন্তু পরিবারের লোকজন চিকিৎসার জন্য ভারতে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে সম্প্রতি তাঁকে বাসায় নিয়ে যান।
পরে গত রোববার রাতে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় হুমায়ূন সাধুকে দ্রুত রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকেরা তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করেন। সেখানে নেওয়ার পর জানা যায়, হুমায়ূন সাধুর মস্তিষ্কে আবারও স্ট্রোক হয়েছে। তাঁকে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়। সেখান থেকে আর ফেরা হয়নি তাঁর।
-সংগৃহীত

Saturday, October 12, 2019

অনেক কিছু নিয়েই শাওন

অনেক কিছু নিয়েই শাওন


আমার ইচ্ছে ছিল নৃত্যশিল্পী হবো।এজন্য নাচ শিখছিলাম। নাচ করতে করতেই অভিনয়ে জড়িয়ে যাই।সেটা ১৯৮৮ সালের কথা।টিভির একটা নাচের অনুষ্ঠান এর জন্য রিহার্সাল হচ্ছিল।একটা লাইভলি বাচ্চা নাচানাচি করছে,ক্যামেরা ফ্রি,পটপট করে কথা বলছে- সে বাচ্চাটাকে একটা নাটকের জন্য নিয়ে গেল।দুর্ভাগ্য বা সৌভাগ্যবশত সেই বাচ্চাটা ছিলাম আমি।আমাকে একটা স্ক্রিপ্ট ধরিয়ে দেয়া হল।স্বাধীনতা দিবসের জন্য নাটিকা- নাটক না।" স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা " নাটকের প্রযোজক আলাউদ্দিন আহমেদের কাছে আমাকে নিয়ে যাওয়া হল।উনি আমাকে স্ক্রিপ্ট দেখিয়ে বললেন, "পড়ো ত দেখি! আমি পটপট করে পড়ে গেলাম।আসলে তখন ত আমি অভিনয় কি জিনিস জানিনা।তারাও হয়ত দেখেছেন যে একটা ছোট্ট বাচ্চা,সুন্দর, ছটফটে- এই হিসেবে আমাকে নাটিকায় নিয়ে নিলেন।নাটকটি প্রচার হওয়ার পর সবার কাছ থেকে প্রশংসা পেলাম।

বিশেষ করে আমার সমসাময়িক তারিন আপু ও ঈশিতা তখন অভিনয় করতো আমাকে ওরা খুব প্রশংসা করল।এটার পরপর অনেকগুলো নাটকে শিশু চরিত্রে ডাক পেতে শুরু করলাম। মামুনুর রশীদের সুপ্রভাত ঢাকা,স্বপ্নের শহর,নাজমুল আলমের দেয়াল,রিয়াজউদ্দিন বাদশাহ র মোহর আলী সহ আরো অনেক নাটক।এভাবে নাচের চেয়ে অভিনয়েই জড়িয়ে গেলাম বেশি।এজন্য কেউ যখন অভিনয়ে আসা প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করে,আমি মজা করে বলি অভিনয়ে এসেছি নাচতে নাচতে"

নিজের অভিনয় নিয়ে এভাবেই বলেছিলেন শাওন। শুরুতে " পোট্রেট, অন্য পৃষ্ঠা, লেডিস হোস্টেল" সহ অন্য নির্মাতা দের নাটকে অভিনয় করলেও পরে শুধু হুমায়ুন আহমেদের নাটকেই দেখা গেছে তাকে। তবে শাওন ছোটবেলায় জিতেছেন নতুন কুড়ি প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার। পড়াশোনা করেছেন স্থাপত্য বিদ্যায়, নাটক ও সিনেমা করেছেন পরিচালনা,বিজ্ঞাপন এ কাজ করেছেন, গান করেন, সিনেমায় কোরিওগ্রাফি করেছেন।হুমায়ুন আহমেদের নাটক ও চলচ্চিত্র এ অভিনয় করে শুধু অভিনেত্রী পরিচয়ে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। আর এইজন্য শুধু অভিনয় নয়, অনেক কিছু নিয়েই শাওন।
-অনলাইন থেকে সংগৃহীত

Wednesday, October 2, 2019

৫৫ তে নগর বাউল জেমস

৫৫ তে নগর বাউল জেমস


বাবার গানের দলে অন্তরভুক্তির অনিচ্ছা থাকায় বাড়ি হতে বের হয়ে আসা ছেলেটার আশ্রয় হয় আজিজ বোর্ডিংয়ে।ভেঙ্গে যাওয়া দল ফিলিংসকে পুনরায় গঠন করেন।১৯৮৭ সালে নিজের সুরেই অ্যালবাম করেন "ষ্টেশান রোড" নামে।নিজের দরাজ কন্ঠ আর মৌলিকতায় পরিচিতি পেতে থাকেন অল্প-স্বল্প আকারে।তারপর অ্যালবাম "অনন্যা"।"জেল থেকে বলছি" অ্যালবামের সেইম নামের গানটি দিয়ে পরিচিতির অন্যান্য মাত্রা পান।
তারপর নগর বাউল অ্যালবাম।তার পরের বছর ই পুরোপুরি ঘুরে দাড়ান “দুখিনী দু:খ করো না" অ্যালবামের মাধ্যমে।যেখানে “সুলতানা বিবিয়ানা”এবং “দুখিনী দু:খ করো না” এই গানগুলোর ব্যাপক জনপ্রিয়তায় ভক্ত হৃদয়ে।
তারপর প্রিন্স মাহমুদের কথা ও সুরে জনপ্রিয় হয়ে উঠে "মা" গানটি।যা এখনো ভক্তদের মাঝে এক বিশাল পাওয়া। তারপর আসে "বাবা" গানটি।
একে একে আসতে থাকে "গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া" “লিখতে পারি না কোনো গান" “পাপী" “তারায় তারায়” “সেলাই দিদিমনি" “আসবার কালে" গানগুলো।
জাতীয় চলচিত্র পুরস্কারে সম্মানিত হন “দেশা আসছে “ গানটির জন্য। এতক্ষন কার কথা বলছিলাম? হয়তো মুখের কোণো এক চিলতে হাসি আর ভালোবাসার তীব্রতায় এসে গেছে...
ফারুক মাহফুজ আনাম উরফে নগর বাউল জেমস নামটা। ১৯৬৪ সালের ২ রা ই অক্টোবরে রাজশাহীর নওগাঁ-তে জন্মগ্রহন করেন তিনি। এই বছর ৫৫ তে পা দিলেন জনপ্রিয় এই ব্যান্ড শিল্পী জেমস!

Friday, September 27, 2019

War মুভি নিয়ে কিছু বিশেষ তথ্য

War মুভি নিয়ে কিছু বিশেষ তথ্য

  • War মুভিতে ৪জন Action Directors রয়েছে এর মধ্যে Paul Jennings আছেন যিনি Dark Knight, San Andreas এর মত মুভির একশন ডিরেক্ট করেছেন। Oh Sea Young যিনি Avengers মুভির একশন ডিরেক্ট করেছেন।
  • War মুভি দুনিয়ার ৯টি বিভিন্ন দেশে শুট হয়েছে যার মধ্যে ২টি জায়গায় আজ পর্যন্ত কোনো মুভির শুটিং হয়নি যেটা North Pole এ স্নো এর ভিতর কার চেজিং একশন সিন এবং World Famous পর্তুগাল ব্রিজ ২দিন অফ ছিল শুটিং এর জন্য যা পর্তুগালের ২টি সিটির মধ্যে কানেক্ট করে। VFX এর বদলে রিয়েল লোকেশনে শুট হয় ওয়ার যেটা Saaho টাইপের VFX depended(তাও খারাপ) মুভি থেকে আলাদা হবে।
  •  Hrithik Roshan এই মুভির একশনের জন্য ৩০০ ফিট ব্রিজ থেকে লিমিটেড সেফটি নিয়ে জাম্প দেয় এবং একশন ডিরেক্টর Paul Jennings, Hrithik এর এফোরট এর প্রশংসা করেন 👌
  •  War মুভির বাজেট 200 Crores. Hrithik 48 Crore Rupees নিয়েছেন ফি হিসেবে যদিও এটা Hrithik এর কাছে খুব বেশী না, তিনি এরকম ফিস নিয়েই থাকেন যদিও Super 30 তে তিনি Producer Share নিয়েছিলেন। Tiger Shroff কত পান এক্সাক্ট জানা যায়নি তবে 15-20 Crores এর মত হবে।
  •  Hrithik এর কাছে যখন মুভিটির স্ক্রিপ্ট নিয়ে যাওয়া হয় তখন তিনি সেকেন্ড লিডের জন্য টাইগার কে সাজেস্ট করেন। এবং বলেন একমাত্র টাইগার ই ওই রোলের জন্য পারফেক্ট হবে। টাইগার এক্টিং এর দিক থেকে বড় স্টার না হলেও একদিক থেকে কিন্তু সে সাক্সেসফুল সেটা একশন এবং স্টান্ট, ২০১৪ এর টাইগারের কিন্তু ধীরে ধীরে ভাল উন্নতি হয়েছে সেটা Baaghi,Baaghi 2 মুভি থেকে বুঝা গেছে। যদিও এবছর SOTY 2 ফালতু ছিল 😛
  • War মুভি নিয়ে Aditya Chopra এতই সন্তুষ্ট যে এটার সিকুয়েল বানানোর প্লান আছে, YRF, TOH এর ফ্লপের পর কোনো একটা বড় মুভি নিয়ে আসল, আশা করা যায় এটা একটা ব্লকবাস্টার মুভি হবে কারণ Hrithik ৫ বছর পর কোনো একশন মুভিতে নিজের পুরোটা দিয়েছেন, এবং টাইগার শ্রফ ও রাইজিং স্টার, যেখানে গুরু এবং স্টুডেন্ট এর মধ্যে ফাইটিং সিন দেখা যাবে।
-সংগৃহীত

Friday, August 9, 2019

"আগুনের পরশমণি"র কাজের মেয়ে বিন্তি চরিত্র

"আগুনের পরশমণি"র কাজের মেয়ে বিন্তি চরিত্র


কাজের মেয়ে বিন্তির চরিত্রে অভিনয় করতে এল গাজীপুরের মেয়ে পুতুল৷ ভীতু ভীতু ধরনের ছোটখাট মেয়ে। অভিনয়ের দারুণ নেশা। সুযোগ পেলেই গাজীপুর থেকে একা একা রামপুরা টেলিভিশন ভবনে চলে আসে। প্রযোজকদের দরজা খুলে ভয়ে ভয়ে উকি দেয় কেউ যদি দয়া করে কোন নাটকে সুযোগ দেয়৷ বয়স বাড়িয়ে (বেশী বয়স দেখিয়ে) সে এক ফাকে অডিশনও দিয়ে দিল এবং যথারীতি ফেল করল। আমি তখন “কোথাও কেউ নেই” টিভি সিরিয়ালের জন্যে অভিনেতা অভিনেত্রী খুঁজছি। তিনটি মেয়ে দরকার যারা প্রসটিটিউটদের চরিত্র করবে৷ কেউ রাজি হচ্ছে না। একদিন বরকতঊল্লাহ সাহেব আমাকে বললেন, “দেখুন তো এই মেয়েটাকে দিয়ে চলবে? এর নাম পুতুল। গাজীপুরে থাকে।”
আমি এক ঝলকে দেখেই বললাম, “চলবে।” 
মেয়েটি “কোথাও কেউ নেই” ধারাবাহিক নাটকে ঢুকে গেল। তেমন কিছু করতে পারল না। অবশ্য তেমন কিছু করারও ছিল না। আমি এই তিন কন্যাকে হাইলাইট করতে চাইনি।

নাটকের কাজ শেষ হল। মেয়েটিকে আমি ভুলে গেলাম৷ তার সঙ্গে অবারো দেখা হল গাজীপুরে৷ সেখানে কবি নামে একটা ডকুমেন্টারি বানাচ্ছি। গ্রামের ভেতর সেট ফেলে কাজ করছি। একদিন এই মেয়ে আমাদের কাজ দেখতে এল। প্রথম দেখায় চিনতে পারলাম না। শাড়ি পরে ঠোটে লিপস্টিক দিয়ে রাজকন্যা সেজে এসেছে I মাথার সব চুল ছেড়ে দেয়া। চুল নেমে এসেছে হাঁটু পর্যন্ত। আমি চুল দেখে মুগ্ধ। আমি বললাম, “এই মেয়ে তুমি কি তোমার চুলগুলি কেটে কদমছাট করতে রাজি আছ?”
সে অবাক হয়ে বলল, “কেন?”
আমি বললাম, “আগুনের পরশমণি নামে একটা ছবি করছি। সেখানে কাজের মেয়ের একটা চরিত্র আছে। সেই মেয়েটার চুল কদমছাঁট করা। তুমি যদি চুল কদমছাঁট করতে রাজি হও তবে আধাঘণ্টা চিন্তা করে আমাকে জানাও।”
সে আধাঘন্টার মত দীর্ঘ সময় নিল না। দশ মিনিটের মাথায় বলল, “চুল কাটব৷”
-“বেশ, তোমাকে যথা সময়ে খবর দেয়া হবে।”

তাকে যথা সময়ে খবর দেওয়া হল। সে ছুটে এল৷ কিন্তু একটা বড় সমস্যা দেখা দিল৷ দেখা গেল ছবির শুটিং যখন হবে তখন তার এসএসসি পরীক্ষা। আমি তাকে বললাম “পরীক্ষা অনেক বড় ব্যাপার৷ তুমি ভালমত পরীক্ষা দাও। পরে কোন এক সময় আমি তোমাকে সুযোগ দেব।” 
পুতুল কাদো কাদো গলায় বলল, “এসএসসি পরীক্ষা প্রতি বছর এক বার করে আসবে কিন্তু আগুনের পরশমণি তো আর আসবে না।”
আমি কঠিন গলায় বললাম, “আগুনের পরশমণি না এলেও অন্য কিছু আসবে। আমি শিক্ষক মানুষ, পরীক্ষা আমার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ৷ মন খারাপ করো না। তোমার ভালোর জন্যেই তোমাকে আমি নিচ্ছি না। তুমি ভালোমত পরীক্ষা দাও৷ সাম আদার টাইম।”

পুতুলের এক চাচা কিংবা মামা সঙ্গে এসেছিলেন ৷ তিনি আমাকে বললেন, “স্যার আপনি যদি মেয়েটাকে না করেন তাহলে মনের দুঃখেই মেয়েটা পরীক্ষা দিতে পারবে না। আর যদি নেন তাহলে অভিনয়ের ফাকে ফাকে পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে ফেলবে বলে আমার ধারণা।”
আমি তাকে নিলাম ৷
পুতুল আনন্দিত গলায় বলল, “দোকান থেকে চুল কেটে আসি? কতটুকু ছোট করব?”
আমি বললাম, “থাক চুল কাটতে হবে না।”

আমি পুতুলের পরীক্ষার রুটিন দেখে তার শূটিং এর ডেট ফেললাম৷ এমনও হয়েছে পরীক্ষার হলের গেটে তার জন্যে গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। পরীক্ষা শেষ হওয়া মাত্র গাড়ি তাকে নিয়ে এসেছে এফডিসি তে। মেয়েটির কঠিন পরিশ্রম বৃথা যায় নি। আগুনের পরশমণিতে অভিনয়ের জন্যে বাংলাদেশ সরকার তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সম্মানিত করেছেন। আগুনের পরশমণি ছবি যখন জাপানে প্রদর্শিত হল তখন জাপানিজ ফ্রেন্ডশীপ সোসাইটির আমন্ত্রণে সে জাপানে গেল৷ গাজীপুরের দরিদ্র পরিবারের পিতৃহীন বাচ্চা একটি মেয়ের জন্যে এটা কম কি? সে যা করেছে নিজে নিজে করেছে। ”পুতুল, তোমাকে অভিনন্দন। তোমার অভিনয় জীবন মঙ্গলময় ও অর্থবহ হোক এই শুভ কামনা!”

বলতে ভুলে গেছি পুতুল প্রথম বিভাগে খুব ভাল রেজাল্ট করে এসএসসি পাশ করেছিল৷

লিখেছেন ----- হুমায়ূন আহমেদ

Friday, August 2, 2019

নোবেলের আগামীর পথচলা

নোবেলের আগামীর পথচলা


সম্প্রতি কলকাতায় অনুষ্ঠিত সারেগামাপা শেষ করে ঢাকায় ফিরেছেন গোপালগঞ্জের ছেলে মাইনুল আহসান নোবেল। ২৮ শে জুলাই এই রিয়েলিটি শোটির গ্র‍্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। নোবেল সেখানে যথাক্রমে প্রতুল মুখোপাধ্যায় এর 'আমি বাংলায় গান গাই' এবং প্রিন্স মাহমুদের কথা ও সুরে জেমসের গাওয়া 'বাংলাদেশ' এ গান দুটি পরিবেশন করেন।

 কিন্তু ফাইনালে যুগ্মভাবে তৃতীয় হওয়ায় ভক্তদের মতে তিনি তার প্রত্যাশিত সাফল্য পাইনি। এই বিতর্কিত ফলাফল নিয়ে নোবেলকেকে প্রশ্ন করা হলে তিনি গণমাধ্যমকেকে বলেন যে তিনি অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে জেমসের 'বাবা' গানটি গেয়ে দর্শকমহলে যে ভালোবাসা পেয়েছেন তাতেই তিনি তার প্রত্যাশিত সাফল্য পেয়ে গিয়েছিলেন।
 দর্শকদের মন জয় করতে পেরেই তিনি খুশি। তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন তিনি তার ব্যান্ড 'নোবেলম্যান' নিয়েই এগিয়ে যাবেন। ৫ সদস্যের এই ব্যান্ডে আরো রয়েছেন দুজন বাংলাদেশি ও দুজন ভারতীয়। সম্পূর্ণ নিজেদের কথা ও সুরে দর্শকদের চাহিদামত ১/২ মাস অন্তর অন্তর তারা তাদের মৌলিক গানগুলো রিলিজ করবেন। উল্লেখ্য নোবেল সারেগামাপা চলাকালীন কলকাতার ছবি 'ভিঞ্চি দা' এর মধ্যে অনুপম রয় এর সঙ্গীত পরিচালনায় সম্পূর্ণ একটি নতুন গানে প্লেব্যাক করেছিলেন। তাছাড়া সঙ্গীত পরিচালক শান্তনু মৈত্রের সুরেও নোবেল সারেগামাপার মঞ্চে একটি মৌলিক একক গান গেয়েছিলেন।

লিখেছেন - আতিক আলম

Thursday, May 30, 2019

শুরু হলো 'শান' এর শুটিং

শুরু হলো 'শান' এর শুটিং


ঢালিউডের নতুন জুটি সিয়াম পুজা আবার ফিরে আসছেন নতুন ছবি নিয়ে। নতুন এই ছবির নাম হচ্ছে শান। ছবির শুটিং শুরু হয়েছে রোববার (২৬ মে) থেকে। এটি সিয়াম আহমেদ ও পুজা চেরীর জুটি হিসেবে তৃতীয় ছবি। এর আগে তাদের গতবছর মুক্তি পাওয়া পোড়ামন ২ ও দহন দর্শকমহলে ভাল সাড়া পায় এবং ব্যবসাসফল হয়। এবার তাদের সাথে যুক্ত হচ্ছেন ঢালিউডের আরেক জনপ্রিয় অভিনেতা তাসকিন। ২০১৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যবসাসফল সিনেমা ঢাকা এটাকে নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। চলতি বছরে তার অভিনীত যদি একদিন সিনেমাটি ইতিমধ্যে মুক্তি পেয়ে গেছে। তাই এই তিনজনের একসাথে কাজ দেখার জন্য দর্শক নিশ্চয় মুখিয়ে থাকবে। ছবিটির চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন নাজিম ঊদ দৌলা। তিনি জানিয়েছেন ছবিটি ফ্যামিলি ড্রামা থ্রিলার ধরনের হবে। ছবিটি পরিচালনা করছেন এমএ রাহিম। এটি তার প্রথম চলচ্চিত্র। ছবিটির পার্শ্বচরিত্রেও রয়েছে চমক। দীর্ঘবিরতির পর আবার এই ছবিতে কাজ করছেন ঢালিউডের একসময়ের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী চম্পা ও অরুণা বিশ্বাস। সব ঠিক থাকলে এই বছরের শেষের দিকে মুক্তি পেতে পারে ছবিটি।

Wednesday, May 29, 2019

প্রকাশ পেল 'পাসওয়ার্ড' এর ট্রেইলার

প্রকাশ পেল 'পাসওয়ার্ড' এর ট্রেইলার

সিনেমা পোস্টার
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭:৩০ টায় ইউটিউবে মুক্তি পেল আসন্ন ঈদের ছবি পাসওয়ার্ড এর অফিসিয়াল ট্রেইলার। মুক্তির পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ট্রেইলারটি ভাইরাল হয়ে যায়। ছবিটিতে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। অভিনয়ের পাশাপাশি ছবিটি প্রযোজনাও করেছেন তিনি। এটি তার প্রযোজিত দ্বিতীয় চলচ্চিত্র। এসকে ফিল্মসের ব্যানারে নির্মিত এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন মালেক আফসারী। শাকিব খানের পাশাপাশি এই ছবিতে আরো অভিনয় করেছেন ইমন, শবনম বুবলি, মিশা সওদাগর প্রমুখ। ট্রেইলার দেখে আঁচ করা যায় ছবিটি একশান থ্রিলার ধরনের হবে। ছবিটি নিয়ে পরিচালক আফসারী অনেক আশাবাদী। তিনি বলেছেন এই বছরের অন্যতম ব্যবসাসফল ছবি হতে চলেছে এটি। উল্লেখ্য এই বছরের শুরুতে ছবিটির কাজ শুরু হয়। এই ছবিতে ইমনের চরিত্র অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলা হলেও ট্রেইলারে তাকে একদমই দেখা যায়নি। ইতিমধ্যে ছবিটি সেন্সর সনদ পেয়ে গেছে। আসন্ন ঈদুল ফিতরে দেশের শতাধিক প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি মুক্তি দেয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ছবিটির নির্মাতারা ...